বন বিভাগের চেষ্টায় সুন্দরবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

বন বিভাগের চেষ্টায় সুন্দরবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫, আপডেট ০৯:৪০

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের কলমতেজী টহল ফাঁড়ি-সংলগ্ন বনে লাগা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। রবিবার (২৩ মার্চ) ভোররাতের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এর আগে, শনিবার রাত ৯টা থেকে বন বিভাগের নিজস্ব পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি দেওয়া হয়।

সকালে ধানসাগর স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা বপুলেশ্বর দেবনাথ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সন্ধ্যার দিকে চলে গেলেও শনিবার রাত ৯টা থেকে বন বিভাগের নিজস্ব পাম্প ও পাইপ লাইনের মাধ্যমে আগুনস্থলে পানি দেওয়া হয়েছে। বন রক্ষী ও বন কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থানীয় অর্ধ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক রাতভর আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। আগুন এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদিন সকাল ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নিয়ন্ত্রণে আসা আগুন আর ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কিনা বা আবার জ্বলে ওঠার শঙ্কায় ঘটনাস্থলে আগুনের অস্তিত্ব খুঁজছেন বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও করণীয় জানতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাসকে প্রধান করে এই কমিটি করা হয়। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার সকাল ৯টার দিকে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের কলমতেজি টহল ফাঁড়ি-সংলগ্ন বনে দোয়া দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। দুপুরের দিকে তাদের সঙ্গে নিয়ে আগুন লাগা স্থান শনাক্ত ও নির্বাপনের চেষ্টা করে বন বিভাগ। বিকেলের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট।

ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ ও স্থানীয় বাসিন্দারা সুন্দরবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে বনের মধ্যে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা ধরে ফায়ার লাইন (শুকনো পাতা, মাটি সরিয়ে নালা) করে। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা অভিযান সমাপ্ত করে চলে গেলেও, বন বিভাগ নিজস্ব ব্যবস্থায় আগুন লাগা স্থানে পানি দিতে থাকে। বন বিভাগের সঙ্গে যোগ দেয় অর্ধশতাধিক স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক।

ইউডি/সিফাত

Taanjin

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading