আলোচনার মাধ্যমে ইন্ডিয়া-পাকিস্তান সমস্যার সমাধান চায় বাংলাদেশ

আলোচনার মাধ্যমে ইন্ডিয়া-পাকিস্তান সমস্যার সমাধান চায় বাংলাদেশ

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫, আপডেট ১৮:৩৫

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষে বাংলাদেশ। বন্ধুপ্রতিম দেশ দুটি চাইলে বাংলাদেশ মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করতে পারে। সহায়তা চাইলে করবো। না চাইলে আগ বাড়িয়ে কিছু করতে পারি না।

আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের অবস্থান স্পষ্ট, আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি চাই। আমরা জানি, বিভিন্ন ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডিয়া-পাকিস্তানের মধ্যে ভালো সম্পর্ক আছে। কিন্তু আমরা চাই না, এখানে কোনো বড় কোনো সংঘাত সৃষ্টি হোক, যাতে এটা এ অঞ্চলের মানুষের কোনো বিপদের কারণ না হয়ে উঠতে পারে। ইন্ডিয়া-পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক বিদ্যমান।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমরা চাইব, তারা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের সমস্যার সমাধান করে ফেলুক। আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি, দু-একটি দেশের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতার প্রস্তাব এসেছে। যেভাবে হোক, মধ্যস্থতার মাধ্যমে হোক, দ্বিপক্ষীয় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে হোক, আমরা চাই উত্তেজনা প্রশমিত হোক এবং শান্তি বজায় থাকুক।

ইন্ডিয়া-পাকিস্তান দুটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক রয়েছে। ইতোমধ্যে ইরান ও সৌদি আরব ইন্ডিয়া-পাকিস্তানের মধ্যে চলমান সমস্যা সমাধানে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশও মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করতে পারে কী না– এমন প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমি মনে করি না, এই মুহূর্তে আমাদের মধ্যস্থতা করার মতো কোনো ভূমিকা নেওয়া উচিত। আমরা চাইব, তারা নিজেরা নিজেরা সমস্যার সমাধান করুক। তারা যদি আমাদের সহায়তা চায়, আপনারা মধ্যস্থতা করুন; তাহলে হয়ত আমরা যাব। কিন্তু তার আগে আমরা আগবাড়িয়ে কিছু করতে চাই না।

চলমান উত্তেজনার কোনো প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে কী না– জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আধুনিক জামানায় সবকিছু সবাইকে কমবেশি প্রভাবিত করে। কাজেই কোনো কিছু আমাদের একটুও প্রভাবিত করবে না, সেটা আমি বলি না। তাদের যেই সংঘাত সেটা আমাদের সরাসরি প্রভাবিত করার কিছু নাই। কারণ, আমরা এতে কোনো পক্ষ নিইনি। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যে কোনো সংঘাত বা সম্পর্ক খারাপ হলে প্রভাব পড়ে। তবে তাদের কাছ থেকে আমাদের যদি কোনো স্বার্থ থাকে আমদানি করার, আমরা করব।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া সীমান্তে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নে উপদেষ্টা জানান, এটা হয়ত নিরাপত্তা নিয়ে যারা সরাসরি কাজ করেন তারা বলতে পারবেন। এই মুহূর্তে আমার কাছে এ রকম কোনো তথ্য নেই।

ইউডি/এআর

ashiqurrahman7863

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading