রাজধানীতে বিমানঘাঁটি ‘অত্যাবশ্যক’: বিমানবাহিনী
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার (২৮ জুলাই) ২০২৫, আপডেট ২১:৩০
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বলেছে, দেশের আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য রাজধানীতে বিমান ঘাঁটি থাকা ‘অত্যাবশ্যক’ এবং পৃথিবীর যে কোনো দেশের রাজধানীর জন্যই এটি ‘প্রযোজ্য’।
ঢাকার একটি স্কুলে বিমান বাহিনীর জঙ্গি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনার পর নানামুখি আলোচনার মধ্যে এ প্রতিক্রিয়া এল।
বিমানবাহিনীর বিমান পরিচালনা পরিদপ্তরের পরিচালক এয়ার কমডোর শহীদুল ইসলাম সোমবার (২৮ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “রাজধানীর স্ট্র্যাটিজিক এবং অপারেশনাল নেসিসিটির সুবাদে এই দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা তথা রাজধানীর আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য রাজধানীতে জঙ্গি বিমানের ঘাঁটি থাকা অত্যাবশ্যক।”
গত ২১ জুলাই দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনের মুখে বিধ্বস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত যে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের বেশির ভাগই শিশু।
দগ্ধ ও আহত ৩৪ জন এখনো জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে, ১১ জন সিএমএইচে ও ১ জন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ওই ঘটনার পর নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে। যে এফ-৭ বিজিআই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সেটি নিরাপদ ছিল কি না, রাজধানীর মত জনবহুল জায়গায় জঙ্গি বিমানের প্রশিক্ষণ চলতে পারে কি-না, সে বিষয়গুলো আলোচিত হচ্ছে।
ঘটনার এক সপ্তাহ পর বিমান বাহিনীর নানা কার্যক্রমের বিষয়ে জানাতে ঢাকার তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ এরোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। সেখানেও তারা ওইসব প্রশ্নের মুখোমুখি হন।
জবাব দিতে গিয়ে এয়ার কমডোর শহীদুল ইসলাম বলেন, যুদ্ধবিমান পরিচালনা, উড্ডয়ন এবং ল্যান্ড করার জন্য সুপরিসর রানওয়ে, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল, মেনটেইনেন্স এবং লজিস্টিকস ফ্যাসিলিটিজ, ফুয়েল স্টোরেজ, রেডার ফ্যাসিলিটিজ এর সবগুলাই দরকার হয়।
“বিমান ঘাঁটিগুলো যেখানেই থাকুক, ফ্যাসিলিটিগুলো থাকতে হয়। কিন্তু অপারেশনাল এবং স্ট্র্যাটিজিক নেসিসিটির জন্য পৃথিবীর যে কোনো দেশের রাজধানীতে বিমানঘাঁটি অত্যাবশ্যক।”
ইউডি/এবি

