বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতার অবস্থান ধরে রেখেছি: ড. খলিলুর রহমান
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ০১ আগস্ট, ২০২৫, আপডেট ১১:০০
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, “আজ আমরা সম্ভাব্য ৩৫% পাল্টা শুল্ক এড়াতে পেরেছি। এটি আমাদের পোশাক খাত ও লাখও শ্রমিকের জন্য সুখবর। পাশাপাশি, আমরা আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার অবস্থান ধরে রেখেছি এবং বিশ্বের বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে প্রবেশের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছি।”
১৫ শতাংশ কমিয়ে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর আজ নতুন শুল্ক হার ঘোষণা করেছে আমেরিকা। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর আমেরিকার শুল্ক দাঁড়াল ২০ শতাংশ। আমেরিকার তরফ থেকে এই ঘোষণা আসার পর এক বিবৃতিতে খলিলুর রহমান এসব কথা বলেন।
খলিলুর রহমান বলেন, “আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থ ও সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই আলোচনার প্রতিটি ধাপ পরিচালনা করেছি। আমাদের পোশাক খাত রক্ষাই ছিল অগ্রাধিকার, তবে আমরা আমেরিকার কৃষিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, যা আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা ও আমেরিকার কৃষি রাজ্যগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক হবে।”
বিবৃতিতে বলা হয়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ৭০টি দেশের আমদানির ওপর সর্বোচ্চ ৪১% পর্যন্ত নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেছেন। চুক্তিগুলো শুধু শুল্ক সংশোধনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এতে দেশীয় নীতিমালার সংস্কার, বাণিজ্য ভারসাম্য, অশুল্ক বাধা ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত। এসব আলোচনার অংশ হিসেবে দেশগুলোকে আমেরিকার পণ্য কেনার সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে হয়েছে, যাতে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আদেশ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, প্রতিটি দেশের শুল্ক হার এই সমস্ত ক্ষেত্রে তাদের প্রতিশ্রুতির গভীরতা প্রতিফলিত করবে।
বাংলাদেশ ২০% শুল্কহার পেয়েছে, যা শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বী পোশাক রপ্তানিকারক দেশের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে সমান। অন্যদিকে ভারত একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারায় ২৫% শুল্কের মুখোমুখি হয়েছে।
ইউডি/কেএস

