আমেরিকার শুল্ক আরোপে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে বাংলাদেশ: বিজিএমইএ সভাপতি
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ০১ আগস্ট, ২০২৫, আপডেট ১৬:১০
আমেরিকা বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করায় দেশটির বাজারে প্রতিযোগী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক ও তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে এখন শুল্কহার প্রায় সমান বা কোথাও কোথাও কিছুটা কম। এটি আমাদের জন্য স্বস্তির বার্তা। আমরা ধীরে ধীরে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো।
মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, নতুন শুল্কহার আমেরিকার ক্রেতাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। আমেরিকার আমদানিকারকদের এখন প্রায় ২০ শতাংশ বেশি শুল্ক পরিশোধ করতে হবে, যার প্রভাব পড়তে পারে তাদের ক্রয়ক্ষমতা ও স্থানীয় বাজারে ভোগব্যয়ে। এর ফলে প্রাথমিকভাবে আমাদের রফতানি অর্ডারে কিছুটা ধাক্কা লাগতে পারে এবং পণ্যের দামে চাপ তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, আমাদের অবস্থান তুলনামূলকভাবে প্রতিযোগীদের মতোই। ফলে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব আমরা সময়ের সঙ্গে কাটিয়ে উঠতে পারবো, যোগ করেন বিজিএমইএ সভাপতি।
এর আগে, দীর্ঘ আলোচনার পর আমেরিকার সরকার বাংলাদেশসহ একাধিক দেশের ওপর নতুন করে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। শুক্রবার হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ১০ থেকে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছেন বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের পণ্যের ওপর।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমেরিকা ইন্ডিয়ার রফতানির ওপর ২৫ শতাংশ, তাইওয়ানের ওপর ২০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর ৩০ শতাংশ, পাকিস্তানের ওপর ১৯ শতাংশ, আফগানিস্তানের ওপর ১৫ শতাংশ, ব্রাজিলের ওপর ১০ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কার ওপর ১৯ থেকে ২০ শতাংশ এবং মিয়ানমারের ওপর সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
ইউডি/এআর

