শেয়ার কারসাজির দায়ে ৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৪৪ কোটি টাকা জরিমানা

শেয়ার কারসাজির দায়ে ৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৪৪ কোটি টাকা জরিমানা
বাংলাদেশ সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)

উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, আপডেট ২১:০৯

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজির অভিযোগে সিকিউরিটিজ আইনের অধীনে ৭ (সাত) ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা সহ বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসি’র চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে আজ বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫) অনুষ্ঠিত ৯৭২তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি’র সভা শেষে বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ‘নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেড’-এর শেয়ার লেনদেনে কারসাজির অভিযোগে মো. রিয়াজ মাহমুদ সরকারকের ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা, আবুল বাসারকে ৪ কোটি ২ লাখ টাকা, সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংকে ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা, মো. সেলিমকে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং জামিলকে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার কারসাজির দায়ে তাদেরকে এই জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরেক কোম্পানি ‘পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড’-এর শেয়ার লেনদেনে কারসাজির অভিযোগে এনআরবি ব্যাংকের তৎকালীন প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মোহাম্মাদ কামরুল হাসানকে ৭৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে পদগ্রহণ, চাকুরি ও সিকিউরিটিজ লেনদেনসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সব ধরনের অংশগ্রহণ থেকে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া, বীমা কোম্পানিটির শেয়ার কারসাজির দায়ে শেখ ফারুক আহমাদকে ৩০ কোটি ৩২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার লেনদেনে কারসাজি করার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে অই জরিমানা করেছে কমিশন।

কমিশন ওই সভায় ‘ফরচুন সুজ লিমিটেড’-এর শেয়ার লেনদেনে কারসাজিতে সংশ্লিষ্টতা থাকায় ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) জড়িত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে এই সংক্রান্ত অনুসন্ধান ও তদন্ত প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে পাঠানো সিদ্ধান্ত হয়েছে।

একই সঙ্গে ফরচুন সুজের শেয়ার লেনদেনের কারসাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিপূর্বে দন্ডিত-ব্যক্তি মো. আবুল খায়ের হিরু ও তার সহযোগীদের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এ সংক্রান্ত অনুসন্ধান ও তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রেরণ এবং সরকারি কর্মচারী হিসেবেমো. আবুল খায়ের হিরু-র বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বরাবর পত্র প্রেরণেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

SekFaruk

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading