বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি ২ কোটি টাকা
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, আপডেট ১২:২০
আন্তর্জাতিক ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের (আইএমজি) সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চুক্তির বিষয়টি ছিল সময়ের ব্যাপার। সেই কার্যক্রমে কিছুটা ধাক্কা লাগে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের নতুন কমিটির সঙ্গে চুক্তির কিছু শর্তে একমত হতে না পারায়। অমীমাংসিত সে বিষয়গুলো বিসিবি ও আইএমজির মধ্যকার গতকালের সভায় সমাধানের দিকে গেছে।
বিপিএলের সঙ্গে তিন বছরের জন্য চুক্তি করতে রাজি হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিসিবির সহসভাপতি শাখাওয়াত হোসেন মঙ্গলবার সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকালের সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তিনি। পাঁচ বছরের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি স্বত্বাধিকার দেওয়া। ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত হলে প্লেয়ার্স ড্রাফট হবে ১৭ নভেম্বর।
বিপিএলে গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জানান, ১২তম আসের পাঁচ থেকে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। বিজ্ঞাপনে ন্যূনতম পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজির কথা বলা হলেও টুর্নামেন্টকে আকর্ষণীয় করার স্বার্থে দলের সংখ্যা ছয়টি করা হতে পারে বলে জানান তিনি। এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি টাকা। সমপরিমাণ ব্যাংক জামানত আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। প্রতিবছর ১৫ শতাংশ হারে ফি বাড়বে।
প্রতি মৌসুমে ১০ কোটি টাকার ব্যাংক জামানত দিতে হবে ছয় মাস মেয়াদে। শাখাওয়াত হোসেন জানান, টিভি সম্প্রচার স্বত্ব, গ্রাউন্ডস স্বত্ব, টিকিট বিক্রির লভ্যাংশের ৩০ শতাংশ দেওয়া হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে। এ ছাড়া ম্যাচের সময় দুই দল ১৫ মিনিট করে পেরেমিটার বোর্ডে টিম স্পন্সরদের বিজ্ঞাপন প্রচারের সুযোগ পাবে।
চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাইজমানি ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রানার্সআপ দল প্রাইজমানি পাবে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। গত বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন দল আড়াই কোটি এবং রানার্সআপ দল দেড় কোটি টাকা পুরস্কার পেয়েছিল। এ ছাড়া টিকিট বিক্রির রাজস্ব ভাগাভাগি করা হয়েছে সাতটি দলের মধ্যে। প্লে অফের চার দলকে ৫৫ লাখ টাকা করে, আর বাকি তিন দলকে ৪৫ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
ইউডি/কেএস

