ডাচ নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থি ও মধ্যপন্থিদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫, আপডেট ১১:৫৫
নেদারল্যান্ডসের চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। এরই মধ্যে ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ হয়েছে। ফলাফলে চরম ডানপন্থি ও মধ্যপন্থিদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের চিত্র উঠেছে।
ইউরোপজুড়ে ডানপন্থার উত্থানের প্রেক্ষাপটে বুধবার (২৯ অক্টোবর) নেদারল্যান্ডসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ডিক স্কুফের নেতৃত্বে ডানপন্থি জোট সরকারের পতনের পর পাঁচ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে তৃতীয় জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেন ডাচ ভোটাররা। ভোটগ্রহণ শেষে শুরু ভোট গণনা। এরপর আসতে শুরু করে ফলাফল।
স্থানীয় সংবাদ সংস্থা এএনপির তথ্য মতে, প্রায় ৯৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, মধ্যপন্থি ৩৮ বছর বয়সি রব জেটেনের ডি৬৬ পার্টি এবং মুসলিমবিদ্বেষী হিসেবে পরিচিত ৬২ বছরের গির্ট ওয়াইল্ডার্সের পিভিভি ফ্রিডম পার্টি ২৬টি করে আসনে জয়ী হয়েছে।
জরিপ সংস্থা আইপিএসওএসের বুথফেরত জরিপ ইঙ্গিত দিয়েছিল, মধ্যপন্থি জেটেন পার্লামেন্টের ১৫০টির মধ্যে ২৭টি আসন পাচ্ছেন। অন্যদিকে ওয়াইল্ডার্স ২৫টি আসন পাবেন বলে উল্লেখ করা হয়। তবে এএনপির পূর্বাভাসে ডি৬৬-কে আংশিক এগিয়ে রাখা হয়েছে। তবে ব্যবধান মাত্র কয়েক হাজার ভোটের।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দিনের শেষদিকে চূড়ান্ত ফলাফল সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বুথফেরত জরিপ সত্য হলে ২০২৩ সালের নির্বাচনের তুলনায় পিভিভি ১২টি আসন কম পাবে। গত নির্বাচনে পিভিভি ৩৭টি আসন জেতে।
অন্যদিকে এই ফলাফল প্রায় ছয় দশকের পুরনো দল ডি৬৬-এর জন্য ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন হিসেবে চিহ্নিত হবে, যারা ২০২৩ সালের নির্বাচনে মাত্র নয়টি আসন জিতেছিল।
বুথফেরত জরিপে দলের জয়ের আভাসে দলের নির্বাচনী সমাবেশে উল্লসিত সমর্থকদের উদ্দেশ্যে জেটেন বলেন, ‘আমরা আজ ডি৬৬-এর সর্বকালের সেরা ফলাফল অর্জন করেছি। লক্ষ লক্ষ ডাচ নাগরিক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। তারা নেতিবাচকতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষের রাজনীতিকে বিদায় জানিয়েছেন।’
ইউডি/কেএস

