মোবাইল আমদানি ও উৎপাদনে ‘শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস’ করব: তৈয়্যব
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) ২০২৫, আপডেট ২২:৪০
‘অবৈধ আমদানির’ কারণে দেশে স্মার্টফোন বিক্রি ২০ শতাংশ কমে গেছে দাবি করে বৈধ মোবাইলের বাজার বাড়াতে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ‘শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাসের’ কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) গাজীপুরের হাই-টেক পার্কে বৈশ্বিক এআই ডিভাইস ইকোসিস্টেমের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ‘অনার বাংলাদেশ’ এর কারখানা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিল্নে তিনি।
বিশেষ সহকারী বলেন, “সরকার হিসেবে আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—এই শিল্পের (মোবাইল ফোন) পাশে থাকব এবং নীতিগত সহায়তা ইতিবাচক থাকবে। বর্তমানে আমরা স্মার্টফোনের অবৈধ আমদানি মোকাবেলায় কাজ করছি।
“আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে আমরা ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার’ বা এনইআইআর সক্রিয় করছি এবং আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদনের ওপর ‘শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস’ করব।”
তবে এক্ষেত্রে যেসকল প্রতিষ্ঠান দেশে মোবাইল সংযোজন বা উৎপাদন করছে তাদের জন্য বাড়তি প্রণোদনা থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
বিশেষ সহকারী তৈয়্যব বলেন, “আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি—স্থানীয় উৎপাদন সবসময় আকর্ষণীয় থাকবে এবং আরও ভালো প্রণোদনা পাবে, যাতে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ বহনকারী পণ্য বৃদ্ধি পায় এবং মানসম্মত কর্মসংস্থানের পথ অব্যাহত থাকে।”
দেশে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর চালুর মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোবাইল ফোনকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে; এরপর থেকে ‘অবৈধভাবে’ নিয়ে আসা ফোন ব্যবহার করা যাবে না বলে সরকারের তরফে বলা হচ্ছে।
এনইআইআর চালুর আগের দিন পর্যন্ত নেটওয়ার্কে যেসব ফোন রয়েছে, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে; কোনো মোবাইল ফোন বন্ধ করা হবে না।
এরপর বিদেশ থেকে কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে এলে সেগুলো যথাযথ কাগজপত্র সাপেক্ষে অনলাইনে নিবন্ধন করার সুযোগ থাকবে।
তবে সরকারের এ ঘোষণার পর থেকেই ‘গ্রে মার্কেট’ বা অননুমোদিত মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে রয়েছেন; এদিনও তারা রাজপথে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী বলেন, “যদি আমরা দেশের ডিভাইস শিল্পের দিকে তাকাই, দেখি যে স্মার্টফোনের প্রবেশমাত্রা প্রায় ৪১/৪২ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ।
ইউডি/এবি

