২০২৬ সালে ৩ লাখ বাংলাদেশি পর্যটক চায় মালয়েশিয়া
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, আপডেট ১৯:৩৩
মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে পর্যটন, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে ২০২৬ সালে ৩ লাখ বাংলাদেশি পর্যটককে মালয়েশিয়ায় আমন্ত্রণ জানানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে দেশটির সরকার।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে ‘মালয়েশিয়া ট্যুরিজম ফেয়ার’ উপলক্ষে আয়োজিত এক গালা ডিনারে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
হাইকমিশনার বলেন, দশকজুড়ে আমাদের সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়েছে। উভয় দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নিয়মিত যোগাযোগ এই অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং অভিন্ন আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই এই বন্ধুত্ব টিকে আছে।
মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান বলেন, পর্যটনের পাশাপাশি খাবার, ঐতিহ্য এবং অভিজ্ঞতার বিনিময়ের মাধ্যমে দুটি সমাজকে কাছাকাছি আনার সেতু হিসেবে কাজ করে। ‘ফেস্টিভ্যাল মালয়েশিয়া’র কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি মালয়েশিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রীতি, স্বাদ এবং ছন্দকে তুলে ধরবে।
সম্প্রতি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফর এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার কুয়ালালামপুর সফরের কথা স্মরণ করে হাইকমিশনার বলেন, এই সফরগুলো দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা সংযুক্ত বিমানবন্দর হিসেবে স্বীকৃত। এটি মালয়েশিয়াকে আঞ্চলিক ভ্রমণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের একটি শক্তিশালী হাবে পরিণত করেছে।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। এর আগে সকালে হাইকমিশনার ‘মালয়েশিয়া ট্যুরিজম ফেয়ার’ এবং ‘ভিজিট মালয়েশিয়া ইয়ার ২০২৬’ প্রচারণার উদ্বোধন করেন যেখানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ লাখ বাংলাদেশি পর্যটককে আকর্ষণের লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেন।
ইউডি/এআর

