পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিলেন মোস্তাফিজ
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, আপডেট ১০:৩৫
আইপিএলে মোস্তাফিজুর রহমান কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলবেন এবার। ২০২৬ সালের আসরের জন্য হয়ে যাওয়া ছোট নিলামে তাকে রেকর্ড গড়ে দলে টেনেছে ওপার বাংলার দলটি। মোস্তাফিজকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে টেনেছে কেকেআর। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা দাঁড়াচ্ছে ১২ কোটি ৩৭ লাখ রুপি।
আইপিএলে এর আগে মোস্তাফিজ কখনোই এমন দাম পাননি। তার ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ দাম পেয়েছিলেন ২০১৮ সালে, ২ কোটি ২০ লাখ রুপিতে তিনি গিয়েছিলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে। ২০১৬ সালে প্রথম আইপিএল নিলামেই বাজি মাত করেছিলেন তিনি। ১ কোটি ৪০ লাখ রুপিতে সান রাইজার্স হায়দরাবাদে পাড়ি জমান তিনি। ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে বনে গিয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান ক্রিকেটারও।
২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৪ নিলামে উঠেছে তার নাম। ২০২১ সালে রাজস্থান তাকে দলে টানে ১ কোটি রুপিতে। এরপরের তিন বারই তিনি বিক্রি হয়েছেন ২ কোটি রুপিতে। ২০২২ ও ২০২৩ সালে তিনি খেলেছেন দিল্লি ক্যাপিটালসে। ২০২৪ সালে তার ঠিকানা হয় চেন্নাই সুপার কিংসে। গেল আসরে নিলামে দল না পেলেও বদলি হিসেবে দিল্লিতে নাম লেখান তিনি।
এবারও তার ভিত্তিমূল্য ছিল ২ কোটি রুপি। তবে তাকে নিয়ে রীতিমতো কাড়াকাড়ি লেগে যায় তার সাবেক দল চেন্নাই সুপার কিংস আর কলকাতার মধ্যে। শেষমেশ এই লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসে কলকাতা।
বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড় আইপিএলে এত দাম পেলেন এবারই প্রথম। আগের রেকর্ডটা ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দখলে। ২০০৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি হয়ে যাওয়া নিলামে ৬ লাখ ডলারে তাকে দলে টেনেছিল কলকাতা, তৎকালীন বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ টাকা ছিল।
সাকিব আল হাসান একাধিক বার আইপিএল নিলামে উঠলেও তিনি ৪ কোটি রুপিতেও বিক্রি হননি কখনো। তাকে পেতে সর্বোচ্চ ৩.২ কোটি রুপি খরচ করতে হয়েছে কলকাতাকে, ২০২১ আসরে ঘটেছিল ঘটনাটি। সে কারণে মাশরাফির ওই রেকর্ডটা অক্ষত রয়ে গিয়েছিল ১৬ বছর। ২০২৫ সালে এসে সেই রেকর্ডটা ভেঙে দিলেন মোস্তাফিজ। এবারও ক্রীড়নক হয়ে রইল ওই কলকাতাই।
ইউডি/রেজা

