সীমান্ত সংঘাত থামাতে আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

সীমান্ত সংঘাত থামাতে আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, আপডেট ১০:০০

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে টানা কয়েক সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাত অবশেষে থেমেছে। যুদ্ধবিরতির এই খবরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বস্তির বাতাস বইছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনায় দুই দেশের নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, দ্রুত ও ন্যায্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানোই শান্তির সঠিক পথ।

রবিবার এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, সীমান্ত সংঘাতে বহু মানুষের প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর এই যুদ্ধবিরতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তিনি বলেন, আমি থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার দুই নেতাকে অভিনন্দন জানাই। তারা খুব দ্রুত ও ন্যায্য সমাধানে পৌঁছেছেন। ট্রাম্প এর আগে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতির কৃতিত্বও নিজের বলে দাবি করেন, যদিও সেটি পরে ভেঙে গিয়েছিল।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই চুক্তিকে ‘দ্রুত ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, এই মধ্যস্থতায় আমেরিকা চীন ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে একযোগে কাজ করেছে এবং এ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পেরে ওয়াশিংটন গর্বিত।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের আগে ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, হয়তো আমেরিকা এখন প্রকৃত জাতিসংঘের মতো কাজ করছে। পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন, বিশ্বশান্তির প্রশ্নে জাতিসংঘকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানান। তিনি দুই দেশকে অবিলম্বে এই প্রতিশ্রুতি মানার আহ্বান জানান।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রায় তিন সপ্তাহের সংঘাতে অন্তত ৪৭ জন নিহত হন এবং ১০ লাখের বেশি মানুষ ঘরছাড়া হন। শনিবার ঘোষিত চুক্তিতে দুই দেশ গোলাগুলি বন্ধ, সেনা চলাচল স্থগিত এবং সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে দ্রুত ঘরে ফেরার সুযোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

যুদ্ধবিরতির পর চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং-ই দুই দিনের আলোচনায় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তিনি বলেন, এই যুদ্ধবিরতি শান্তি পুনর্গঠনের পথ খুলে দিয়েছে এবং ধাপে ধাপে স্থায়ী শান্তির দিকে এগোতে হবে।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading