জয়শঙ্করের ঢাকা সফর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই উচিত হবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ২০২৫, আপডেট ২৩:২০
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন ইন্ডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তার ঢাকা সফরকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখার পরামর্শ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
একইসঙ্গে জয়শঙ্করের সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন কমবে কি না, তার উত্তর আগামীতে খোঁজারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটাকে ঠিক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক বা রাজনীতি, সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই উচিত হবে। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশেরতো বটেই, প্রতিবেশী দেশগুলোতেও তার এক ধরনের ইতিবাচক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি যে একটি অবস্থানে নিজেকে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন, এটা সবাই জানে। দেশের মানুষের মাঝে দল মত নির্বিশেষে এক ধরনের গ্রহণযোগ্যতা এবং শ্রদ্ধা সন্মান আছে। এটা অবশ্যই তারাও (প্রতিবেশী দেশগুলো) সবাই স্বীকৃতি দেয়।
তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্তত সবাই সেটাকে স্বীকৃতি দেয়। তার মৃত্যুতে এবং তার শেষক্রিয়ায় সবাই প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং অংশগ্রহণ করবেন এটাই স্বাভাবিক। আমরা এটাকে সেভাবেই দেখি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসেছিলেন। তার সফর সংক্ষিপ্ত ছিল, কিন্তু উনি পুরো অনুষ্ঠানটাতে অংশগ্রহণ করেছেন। এর চেয়ে বেশি কিছু অর্থ খুঁজতে না যাওয়াই ভালো।
সফরে ঢাকা–দিল্লির কোনো বার্তা আদানপ্রদান হয়েছে কি না– উত্তরে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা ওয়ান–টু–ওয়ান ওরকমভাবে কোনো কথাবার্তা বলিনি, সেরকম সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। অন্যান্য বিদেশি অতিথিরা ছিলেন। পাকিস্তানের স্পিকার ছিলেন, তাঁর সঙ্গেওতো উনি হাত মিলিয়েছিলেন। এটা সৌজন্যতা, যেটা সবাই মেনে চলে। তার সঙ্গে আমার যেটুকু কথাবার্তা হয়েছে, সেটাতে রাজনীতি ছিল না।
সম্পর্কের টানাপোড়েনে জয়শঙ্করের সফর কি উত্তেজনা প্রশমন করবে? উত্তরে তিনি বলেন, এটার উত্তর আপনাদের আগামীতে খুঁজতে হবে। আগামী দিনগুলিতে আপনারা দেখবেন যে কি হয়।
ইউডি/এবি

