১২ ফেব্রুয়ারি যান চলাচলে নতুন নির্দেশনা
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১৬:০০
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারা দেশে যান চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনার আলোকে সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তবে বাসের মতো গণপরিবহন চলাচলের বিষয়টি পরিষ্কার না হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) যেসব যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারবে না সেগুলো হলো- ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস ও ট্রাক।মোটরসাইকেলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞামোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রে বিধিমালা আরও কঠোর করা হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত অর্থাৎ টানা ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।প্রজ্ঞাপনে ট্যাক্সি, পিকআপ বা ট্রাকের কথা উল্লেখ থাকলেও সিটি বাস, লোকাল বাস বা দূরপাল্লার বাসের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়নি।
তবে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন না হয়।’অর্থাৎ সাধারণ বাস চলাচলের ওপর ঢালাও নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনাররা প্রয়োজনে কড়াকড়ি আরোপ করতে পারবেন।
কিছু ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে এই বিধিনিষেধ
প্রযোজ্য হবে না:বিদেশগামী যাত্রী: পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে ব্যক্তিগত বা ভাড়ায় চালিত গাড়ি বাধাগ্রস্ত হবে না।
জরুরি সেবা: অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, সংবাদপত্র বহনকারী গাড়ি এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামবাহী যান চলাচলে কোনো বাধা নেই।
নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত: সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ইসির অনুমোদিত পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের যানবাহন।
প্রার্থী ও এজেন্ট: রিটার্নিং কর্মকর্তার স্টিকার সাপেক্ষে প্রার্থী ও তাদের এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (কার/জিপ) ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।
জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান: বিটিআরসি অনুমোদিত টেলিযোগাযোগ সেবার গাড়িও এই আওতামুক্ত থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, যেকোনো এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে এই বিধিনিষেধ আরও কঠোর করতে পারেন অথবা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে শিথিল করতে পারবেন।
ইউডি/এআর

