একটি বিশেষ পোশাক জালভোট দিতে সহায়তা করতে পারে: জোনায়েদ সাকি
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১১:০৭
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী বলেন, ভোটারের পরিচিতি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা ধর্মের পোশাকের প্রতি সম্মান করি। সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলি না। কিন্তু পোলিং যেন পরিচয় নিশ্চিত হয় সেটা করতে হবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরের আমেনা প্লাজায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সাকি বলেন, একটি বিশেষ পোশাক জালভোট দেওয়ায় সহায়তা করতে পারে।
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ারও শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রশাসন একটি দলের পক্ষে প্রভাবিত হলে অনেক কিছু তারা দেখবে না। জালভোট দেওয়া, কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা, কালো টাকার ছড়াছড়ির বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।কোনও কোনও দলের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর আস্থা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং তৎপরতা দেশের জনগণ মেনে নেবে না। কেউ এটা করতে চাইলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।তিনি আরও বলেন, দুদিন ধরে ভোটারদের থামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বাঁশের লাঠি তৈরি করছে। দলের সঙ্গে যুক্তদের প্রিসাইডিং অফিসার দেওয়া হয়েছে।বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে একটি করে খালের মাঠ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী। সংবাদ সম্মেলনে তিনি উন্নত ও নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর গড়তে ছয়টি বিষয়ে অঙ্গীকার করেন। এসবের মধ্যে রয়েছে, মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা। শিশুদের যথাযথ বিকাশ, প্রত্যেক গ্রামে খেলার মাঠ, তরুণদের উপযুক্ত কর্মসংস্থান, মাদকের কবল থেকে মুক্তি। মেঘনা সেতু নির্মাণ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রবাসীদের অধিকার, বাঞ্ছারামপুরে প্রবাসীদের বিনিয়োগের পরিবেশ ও পর্যটন সম্ভাবনা তৈরি। কৃষক-শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষের ন্যায্য হিস্যা আদায়, প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশের সুরক্ষা, নারীর নিরাপত্তা ও নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদি হাসান পলাশ। এ সময় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেকসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ইউডি/এআর

