ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সূচকের পতন

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সূচকের পতন

উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১৬:৩৫

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সূচকের বড় পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী টানা চতুর্থ কার্যদিবস পুঁজিবাজারে সূচকের পতন ঘটেছে।

এদিন ডিএসই ও সিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কমেছে। একই সঙ্গে উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেশি থাকায় পুঁজিবাজারে সূচকের পতন অব্যাহত রয়েছে। সেই সঙ্গে কোনো কারসাজি চক্র নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কাজ করছে কি-না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। তবে বৃহস্পতিবার সকালে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসই ও সিএসইতে সূচকের পতনমুখী প্রবণতার মধ্যে দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর সূচক ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে ফিরে আসে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তা পতনে রূপ নেয়। লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সূচকের পতনমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৫৩.২০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৪৬৫ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াসূচক ১০.‘৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৫ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১২.১৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৪৬টি কোম্পানির, কমেছে ৩১৩টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৩টির।

এদিন ডিএসইতে মোট ৯৩৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২২২ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৪.১৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯ হাজার ৪২৯ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৯.৯২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৩৪৯ পয়েন্টে, শরিয়াসূচক ০.৯০ পয়েন্ট কমে ৯২৬ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ২৬.৮৬ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৯০৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সিএসইতে মোট ১৮২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৪৬টি কোম্পানির, কমেছে ১১৩টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৩টির।

এদিন সিএসইতে ১৩ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী প্রথম কার্যদিবস রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২০০.৭২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৫ হাজার ৬০০ পয়েন্টে। আর সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৮৪.৩৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৫ হাজার ৫১৮ পয়েন্টে।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading