যেসব মামলার তদন্ত ফের করা উচিত মনে করছি, সেগুলো করা হবে: চিফ প্রসিকিউটর
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ১৫:০০
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ট্রাইব্যুনালে যেসব মামলার তদন্ত আবার করা উচিত মনে করছি, সেসব আবারও তদন্ত করা হবে।
বুধবার (০৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ একটি মামলায় রায় ঘোষণায় সময় চেয়ে আবেদন করে এ কথা বলেন তিনি।
এদিন রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি ও দুই জনকে হত্যা মামলায় রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিলো। পরে সময়ের আবেদন জানানোর পর আমিনুল ইসলাম সাংবাদিনকদের চঞ্চল চন্দ্র সরকারের একটি ভিডিও ট্রাইব্যুনালে আনা হয়নি, যা শক্ত প্রমাণ হতে পারে।
এছাড়াও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে আনার বিষয়ে যথাযথ উদ্যোগ নেবে প্রসিকিউশন বলেও জানান আমিনুল ইসলাম।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, পিছিয়ে গেল এ মামলার রায় ঘোষণা। রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা একজনকে গুলি ও দুজনকে হত্যা মামলায় নতুন প্রমাণ দাখিলের জন্য চার সপ্তাহ সময়ের আবেদন করেছে প্রসিকিউশন। পুনরায় শুনানি শেষেই হবে এ মামলার রায়। দীর্ঘ ৬ মাসের বিচারিক কার্যক্রম শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিল আজ। তবে শেষ মুহূতে ঘটে নানা নাটকীয়তা। প্রসিকিউশন জানায়, তাদের হাতে এসেছে এ মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণাদি। এ পরিস্থিতিতে রায় পেছানোর আবেদন করে প্রসিকিউশন চার সপ্তাহ সময় চেয়েছে।
এসময় চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারের গুলি করার স্বীকারোক্তিমূলক ভিডিও ফুটেজ দাখিল করা হয়নি-এ কারণেই রায় পেছানোর আবেদন করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে ২০২৪ সালে জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে সময় সংগঠিত চলমান একাধিক মামলার অভিযোগ পুনতদন্তের জন্য কাজ চলছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।
এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আবেদন করা হয়।
ইউডি/কেএস

