বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ: ভাইয়ের পর মৃত্যু ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ১৯:০০
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে গুরুতর আহত বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মফিজুর রহমান (৪৫) মারা গেছেন। ঘটনার দিনই তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান (৫০) মারা যান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলের অররা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) হাসাদহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসানের ওপর সুটিয়া গ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে।
এর জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সুটিয়া গ্রামের কামিল মাদ্রাসার সামনে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মফিজুর রহমান, তার বড় ভাই জামায়াতকর্মী হাফিজুর রহমানসহ কয়েকজন।
এদের মধ্যে দুই সহোদরকে ঢাকার কাকরাইলের অররা হাসপাতালে নেওয়ার সময় বড় ভাই হাফিজুর রহমান মারা গেলেও ছোট ভাই মফিজুর রহমানকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয়।
জামায়াতকর্মী হাফিজুর রহমান হত্যার ঘটনায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ৯ জনকে আসামি করে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর জীবননগর থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট যৌথ অভিযানে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মেহেদী হাসান, তার বাবা বিএনপির কর্মী জসিম উদ্দিন ও হাসাদহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সালামকে গ্রেপ্তার করেছে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে মফিজুর রহমান মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তার বড় ভাইয়ের হত্যা মামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ইউডি/এআর

