মাদক মামলায় খালাস পেয়ে কণ্ঠশিল্পী আসিফ যা বললেন

মাদক মামলায় খালাস পেয়ে কণ্ঠশিল্পী আসিফ যা বললেন

উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ২০:৫০

লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে দায়ের করা মাদক মামলায় খালাস পেয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর।

সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।আদালত সূত্রে জানা গেছে, কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত তাকে অভিযোগ থেকে খালাস দেন।মামলার শুনানির সময় সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর শাহিনুল ইসলাম এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এসআই জামাল উদ্দিন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

এছাড়া এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মামলার বাদী সিআইডি পুলিশের এসআই প্রশান্ত কুমার সিকদার সাক্ষ্য দেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ থাকা ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৫ জুন রাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় আসিফ আকবরকে।

সে সময় তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়। পরে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন সিআইডি পুলিশের এসআই প্রশান্ত কুমার সিকদার।

পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এসআই জামাল হোসেন আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্র দাখিলের প্রায় পাঁচ বছর পর ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে আসিফের বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে দায়ের করা মাদক মামলায় খালাস পেয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত তাকে অভিযোগ থেকে খালাস দেন।

মামলার শুনানির সময় সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর শাহিনুল ইসলাম এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এসআই জামাল উদ্দিন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মামলার বাদী সিআইডি পুলিশের এসআই প্রশান্ত কুমার সিকদার সাক্ষ্য দেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ থাকা ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৫ জুন রাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় আসিফ আকবরকে। সে সময় তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়।

পরে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন সিআইডি পুলিশের এসআই প্রশান্ত কুমার সিকদার।

পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এসআই জামাল হোসেন আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্র দাখিলের প্রায় পাঁচ বছর পর ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে আসিফের বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

ইউডি/এআর

ashiqurrahman7863

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading