পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ডেনমার্ক ও জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, আপডেট :৩৩
ইরানের প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলার নীতি “শেষ হয়েছে” বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন তেহরানের খাতাম আল-আনবিয়া সামরিক কমান্ড সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি।বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় বিবিসি বাংলা।ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, তেহরানের বর্তমান নীতি হবে “আঘাতের বদলে আঘাত”।
তিনি আরও বলেন, তেহরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের অংশীদারদের কাছে “এক লিটার তেলও” পৌঁছুতে দেবে না। তাদের অনুগত যে কোনো জাহাজ বা ট্যাংকার বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য হবে।ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, ব্যারেল প্রতি তেল ২০০ ডলার হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন, কারণ তেলের দাম এই অঞ্চলের নিরাপত্তার ওপর নির্ভরশীল যা আপনারা নষ্ট করেছেন।
ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার এবং জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বুধবার (১১ মার্চ) বিকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। রাষ্ট্রদূতরা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণে তাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদে বাংলাদেশ ও উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী দুদেশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতার কথা স্বীকার করেন। আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব, দক্ষতা উন্নয়ন, মানবসম্পদের গতিশীলতা, অভিবাসন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এফটিএ আলোচনার সূচনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের পথ খুঁজে বের করা হয়।
শামা ওবায়েদ ইসলাম জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে দুই দেশের কাছেই সমর্থন চান।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, তাড়াতাড়ি ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের মধ্যে নিহিত রয়েছে।বিদ্যমান সম্পর্কের ধারাবাহিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বৈঠক শেষ হয়। উভয় রাষ্ট্রদূত দীর্ঘস্থায়ী এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ইউডি/এআর

