বৈশ্বিক তেলের বাজার ‘নিয়ন্ত্রণের’ বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা
উত্তরদক্ষিণ। শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ১৪:৪০
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপে আমেরিকার হামলার ঘটনায় বৈশ্বিক তেলের বাজার অস্থির হয়ে ওঠার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনা বাড়তে থাকলে আন্তর্জাতিক তেলের দাম ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ চলে যেতে পারে। খবর সিএনএন’র।
মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক কিমিট বলেন, এর (মার্কিন হামলার) অর্থ হলো, আমরা এই যুদ্ধে ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছি। বিষয়টি এখন আর শুধু ‘সামরিক বাহিনী বা সরকারকে হটিয়ে দেওয়ার’ মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং আমরা এখন দেশটির (ইরান) অর্থনৈতিক প্রাণভোমরাকেই লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করছি।
মার্ক কিমিট বলেন, ইরান যাতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়, সেটি নিশ্চিত করতে দ্বীপটিকে ‘জিম্মি’ করে রেখেছে আমেরিকা। এ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ইতিমধ্যে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।তবে ওই তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে কিমিট সতর্ক করে বলেন, এটা স্পষ্ট যে ইরান তখন মধ্যপ্রাচ্যের বাকি অবকাঠামোগুলোর ওপর হামলা চালাবে।
আর সেই পর্যায়ে তেলের দাম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।ইরানের উপকূল থেকে প্রায় পাঁচ মাইল দূরে অবস্থিত খারগ দ্বীপ দিয়ে দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করা হয়।
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রথম দুই সপ্তাহে দ্বীপটি অক্ষত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছিল।শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া অব্যাহত রাখে, তবে দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হতে পারে।
ইউডি/এআর

