কুষ্টিয়ায় ঠান্ডাজনিত উপসর্গ নিয়ে ৯৭ শিশু হাসপাতালে, ১৯ শিশুর হাম সন্দেহ

কুষ্টিয়ায় ঠান্ডাজনিত উপসর্গ নিয়ে ৯৭ শিশু হাসপাতালে, ১৯ শিশুর হাম সন্দেহ

উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ০১ এপ্রিল, ২০২৬, আপডেট ১১:৩৫

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ২৪ ঘণ্টায় ঠান্ডা জ¦র সর্দি-কাশিজনিত জটিলতা নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৯৭ শিশু। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৪ জন শিশু, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪২ জন শিশু ও উপজেলা পর্যায়ে ভর্তি হয়েছে ১১টি শিশু রোগী।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. হোসেন ইমাম বলেন, ‘রাত ১০টা পর্যন্ত এখানে শিশু বিভাগে সর্বমোট ৪৪ রোগী ভর্তি আছে। এদের মধ্যে ১৯ রোগী হাম আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছেন চিকিৎসকরা। বাকি রোগীরা নানা জটিলতায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত ১০টা পর্যন্ত এখানে শিশু বিভাগে মোট ভর্তি শিশু রোগীর সংখ্যা ৪২ জন। এসব রোগী ঠান্ডা জ্বর সর্দি কাশিসহ নানা জটিলতায় ভুগছে। এদের মধ্যে কেবলমাত্র ৯ রোগীর শরীরে র‌্যাশ জাতীয় লক্ষণ থাকায় সেগুলিকে প্রাথমিকভাবে হাম আক্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত করছি এবং তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এছাড়া কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, চলতি বছরের শুরু থেকেই শিশুদের হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ জেলায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষায় হামের পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত ১৫ রোগী কেস হিস্ট্রি পাওয়া গেছে তাদের অধিকাংশই জেলার বাইরে থেকে আগত। এখন যেহেতু সারাদেশেই শিশুদের হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে সে কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জেলাজুড়ে সর্বশেষ হাম পরিস্থিতি বিষয়ক নির্ভরযোগ্য চড়ান্ত ফলাফল আগামীকাল বুধবার বেলা ১১টা থেকে প্রতিদিন আপডেট তথ্য অবহিত করা হবে। তবে আক্রান্ত শিশুদের নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজনীয় রি-এজেন্ট সংকট এ মুহূর্তে রোগী সনাক্তের একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, আশা করছি খুব শীঘ্রই এটাও কাটিয়ে উঠতে পারব।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading