ইরানের কাছে এখনও বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

ইরানের কাছে এখনও বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, আপডেট ১৭:১৭

গত পাঁচ সপ্তাহ ধরে আমেরিকা–ইসরাইলের ব্যাপক হামলার পরও ইরানের অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনো অক্ষত রয়েছে। এছাড়া দেশটির বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও রয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক এক মূল্যায়নের বরাত দিয়ে তিনটি সূত্র সিএনএনকে এসব তথ্য জানিয়েছে।

একটি সূত্র বলেছে, ‘এখনো পুরো অঞ্চলে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।’ সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই মূল্যায়ন ইঙ্গিত দেয় যে তেহরানের কাছে হাজার হাজার ড্রোন রয়েছে এবং তাদের ড্রোন সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশ এখনও অক্ষত আছে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এমন কিছু লঞ্চারের কথাও বলা হয়েছে, যেগুলো হয়তো হামলার কারণে মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে কিন্তু পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। ফলে এগুলো আপাতত ব্যবহারের অনুপযোগী হলেও সচল রয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্রুজ মিসাইলের এক বড় অংশও অক্ষত আছে। আমেরিকা ইরান উপকূলে খুব একটা বিমান হামলা না চালানোয় এগুলো রক্ষা পেয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মাধ্যমে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের হুমকি তৈরি করতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা জনসমক্ষে সামরিক বিজয়ের দাবি করেছেন। তবে গোয়েন্দা তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। এসব তথ্য ইরানের টিকে থাকা সামরিক শক্তি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ও ভিন্ন এক চিত্র তুলে ধরছে।

গত বুধবার জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়ার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তাদের অস্ত্র কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলো ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। এখন খুব অল্পসংখ্যক টিকে আছে।

এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ গত মাসে বলেছিলেন, ‘সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে আমাদের বাহিনীর ওপর ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ৯০ শতাংশ কমে গেছে। একই সঙ্গে একমুখী আক্রমণাত্মক ইউএভি, অর্থাৎ কামিকাজ ড্রোনের হামলাও ৯০ শতাংশ কমেছে।’

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading