বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে ২০–২১ মে গণশুনানি

বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে ২০–২১ মে গণশুনানি

উত্তরদক্ষিণ। বুধবার (০৬ মে) ২০২৬, আপডেট ২৩:৫৫

জ্বালানি তেলের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব এখন বিবেচনাধীন। এই প্রস্তাবের ওপর আগামী ২০ মে ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এরই মধ্যে সব বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি কমিশনের কাছে তাদের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব জমা দিয়েছে।

বিইআরসি সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ বিভাগ নীতিগত অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি কমিশনে পাঠায়। পরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) পাইকারি দামের কাঠামো নির্ধারণ করে। সেই অনুযায়ী বিতরণ সংস্থাগুলো খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব জমা দেয়।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, প্রস্তাব আমলে নিয়ে আমরা কারিগরি মূল্যায়ন শুরু করেছি। সব বিতরণ কোম্পানির প্রস্তাব ইতোমধ্যে জমা পড়েছে। গণশুনানির মাধ্যমে যৌক্তিকতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পাইকারি পর্যায়ে ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে এক টাকা ৫০ পয়সা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। এর সঙ্গে সমন্বয় করে খুচরা পর্যায়েও ব্যবহারভিত্তিক স্তরে ভিন্ন হারে দাম বাড়ানো হতে পারে। এতে প্রতি ইউনিটে প্রায় ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বল্প ব্যবহারকারী বা ‘লাইফলাইন’ গ্রাহকদের (৭০-৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী) আপাতত এই বাড়তি চাপের বাইরে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে মোট গ্রাহকের প্রায় ৬৩ শতাংশ সুরক্ষিত থাকতে পারেন, আর বাকি ৩৭ শতাংশ গ্রাহকের ওপর বাড়তি চাপ পড়বে। এর বাইরে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি (পিজিসিবি) প্রতি ইউনিটে অতিরিক্ত ১৬ পয়সা সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।

ইউডি/এবি

badhan

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading