এফবিসিসিআই পুনর্গঠন: প্রশাসক প্রত্যাহারের জোরালো দাবি

এফবিসিসিআই পুনর্গঠন: প্রশাসক প্রত্যাহারের জোরালো দাবি

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, আপডেট ১৯:১২

দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির (এফবিসিসিআই) প্রশাসকের অপসারণ ও দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে এফবিসিসিআই সংস্কার পরিষদ।

পরিষদের নেতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন না দিয়ে বর্তমান প্রশাসক আব্দুর রহিম খান কৌশলে দায়িত্বে থেকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সদস্যদের চাঁদা অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তারা।

রবিবার (১৭ মে) রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই সংস্কার পরিষদ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ জানানো হয়। এতে বক্তব্য দেন পরিষদের আহ্বায়ক জাকির হোসেন নয়ন ও সদস্যসচিব জাকির হোসেন। এসময় সংগঠনের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে পরিষদের সদস্যসচিব গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করতে ব্যর্থ হয়েছেন, বরং নির্বাচন বিলম্বিত করে নতুন বিধিমালা তৈরির পাঁয়তারা করছেন। তাই ব্যবসায়ীদের স্বার্থে বর্তমান প্রশাসকের অপসারণ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আমরা সংবাদ সম্মেলন করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আগে সাধারণ অ্যাসোসিয়েশনগুলোর চাঁদা ছিল ৩৫ হাজার টাকা, যা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। একই ভাবে চেম্বারগুলোর চাঁদা ৪০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বাড়তি চাঁদা প্রত্যাহার করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া আমাদের দাবি ছিল।’

জাকির হোসেন জানান, দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এদিন বেলা ১১টায় প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠকে তাদের দাবিগুলো নীতিগতভাবে মেনে নেওয়া হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে নতুন প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া নতুন বিধিমালায় কোন সংশোধন বা সংযোজনের আগে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংস্কার পরিষদের সদস্যসচিব আরও জানান, বাড়ানো চাঁদা আগের হারে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রশাসনের পক্ষে এতে সই করেন এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব আলমগীর হোসেন।

এই ব্যবসায়ী নেতা দাবি করেন, এখন আর তারা প্রশাসন থেকে আসা কোন প্রশাসকের অধীনে কোন নির্বাচন চান না। নির্বাচন হতে হবে ব্যবসায়ী প্রশাসকের অধীনেই।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading