ঈদযাত্রায় বাড়তে পারে হামের সংক্রমণ
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার (২৫ মে) ২০২৬, আপডেট ২৩:৪৫
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের ব্যাপক যাতায়াত ও ভ্রমণের কারণে ঈদের পর হামের সংক্রমণ তীব্র আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আক্রান্ত শিশুদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ঈদের সময় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করে কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। যদিও ঈদ যাত্রা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
এদিকে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে, আর একটি শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের জীবাণু শরীরে প্রবেশের পর র্যাশ বা গুটি ওঠার অন্তত চার দিন আগ থেকেই আক্রান্ত ব্যক্তি অজান্তে রোগটি ছড়াতে শুরু করে। ফলে ঈদযাত্রার ভিড় ও গণপরিবহনে এই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শিশুদের নিয়ে অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়িয়ে চলা এবং মৃদু উপসর্গ দেখা দিলেও ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. এম মুশতাক হোসেন বলেন, ঈদের সময় মানুষ শিশুদের নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাবে। এতে সংক্রমণ বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। ঈদের পরের এক সপ্তাহে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। আর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়লে মৃত্যুও বাড়বে। বিশেষ করে অপুষ্ট শিশুরা বেশি বিপদে পড়বে।
তিনি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে বা কিছুটা অসুস্থ, তাদের নিয়ে এ ঈদে ভ্রমণ না করাই ভালো। এতে ওই শিশুর নিজের যেমন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হবে, তেমনি তার সংস্পর্শে আসা সুস্থ শিশুরাও ঝুঁকিতে পড়বে।
ইউডি/এবি

