২০২৬ সালে রেকর্ডসংখ্যক সফল পর্বতারোহী দেখল এভারেস্ট

২০২৬ সালে রেকর্ডসংখ্যক সফল পর্বতারোহী দেখল এভারেস্ট

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, আপডেট ১৬:৫০

চলতি ২০২৬ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৮ জন পর্বতারোহী বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত এভারেস্টে আরোহনে সফল হয়েছেন। ইতিহাসে এর আগে কোনো এক বছরে এত সংখ্যক সফল পর্বতারোহী দেখেনি এভারেস্ট।

‘হিমালয় কন্যা’ নামে পরিচিত দেশ নেপালের সরকারের পর্যটন বিভাগের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নেপালের জাতীয় দৈনিক কাঠমান্ডু পোস্ট।

২৯ হাজার ৩২ ফুট উঁচু এভারেস্ট বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্বত হিসেবে স্বীকৃত। হিমালয় পর্বতমালার অন্তর্গত এভারেস্ট নেপাল এবং চীনের তিব্বত জুড়ে বিস্তৃত। যদিও দুই অংশ দিয়েই আরোহন করেন পর্বতারোহীরা, তবে অধিকাংশ পর্বতারোহী আরোহনের জন্য নেপাল অংশটিই বেছে নেন।

১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের পর্বতারোহী অ্যাডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে এভারেস্টে সফলভাবে আরোহ করেছিলেন। বিশ্ব ইতিহাসে তাদের এই আরোহন ‘প্রথম এভারেস্ট বিজয়’ হিসেবে নথিভুক্ত আছে।

‘হিমালয় কন্যা’ নামে পরিচিত দেশ নেপালের সরকারের পর্যটন বিভাগের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নেপালের জাতীয় দৈনিক কাঠমান্ডু পোস্ট।২৯ হাজার ৩২ ফুট উঁচু এভারেস্ট বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্বত হিসেবে স্বীকৃত। হিমালয় পর্বতমালার অন্তর্গত এভারেস্ট নেপাল এবং চীনের তিব্বত জুড়ে বিস্তৃত।

যদিও দুই অংশ দিয়েই আরোহন করেন পর্বতারোহীরা, তবে অধিকাংশ পর্বতারোহী আরোহনের জন্য নেপাল অংশটিই বেছে নেন।১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের পর্বতারোহী অ্যাডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে এভারেস্টে সফলভাবে আরোহ করেছিলেন। বিশ্ব ইতিহাসে তাদের এই আরোহন ‘প্রথম এভারেস্ট বিজয়’ হিসেবে নথিভুক্ত আছে।

অ্যাডমন্ট হিলারি ও তেনজিং নোরগের সফল অভিযানের পর থেকেই দেশ-বিদেশের পর্বতারোহীরা এভারেস্টের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠতে শুরু করেন।

এপ্রিল এবং মে— বছরের দু’মাস এভারেস্টে আরোহন করা যায়। আবহাওয়াগত কারণে বাকি ১০ মাস আরোহনের উপকূল পরিবেশ থাকে না।

মাউন্ট এভারেস্টে যেসব পর্বতারোহী আরোহন করতে যান, তাদের সঙ্গে একজন দেশীয় গাইড থাকা বাধ্যতামূলক করেছে নেপালের সরকার। কয়েক জন গাইড এএফপিকে জানিয়েছেন, এভারেস্টে আরোহনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আবহাওয়া। এপ্রিল এবং মে মাসে আবহাওয়া উষ্ণ থাকায় দুর্ঘটনা বা বিপদের আশঙ্কা প্রায় শূন্যের কোঠায় থাকে।

বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে এভারেস্টে আরোহন আরও সহজ হয়েছে বলেও জানিয়েছেন গাইডরা। একজন গাইড বলেছেন, “এখন এভারেস্টে দ্বিতীয় বেসক্যাম্প থেকেই জানা সম্ভব যে উপরের আবহাওয়ার অবস্থা কেমন। ফলে দুর্ঘটনার হারও এখন অনেক কম।

পর্যটন বিভাগের মহাপরিচালক রামকৃষ্ণ লামিচানে জানিয়েছেন, এর আগে এক বছরে সর্বোচ্চ সফল আরোহনের রেকর্ডটি হয়েছিল ২০১৯ সালে। ওই বছর ৮৭২ জন অভিযাত্রী সফলভাবে এভারেস্টের চূড়ায় উঠেছিলেন।

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি অনলাইন

ইউডি/এআর

ashiqurrahman7863

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading