জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, আপডেট ১৩:৪০

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এই আলীনগর-জঙ্গল সলিমপুর, এই জায়গাটা আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসীদের এলাকা থাকবে না, অভয়ারণ্য থাকবে না। এর আশেপাশে দুইটা পাহাড় টিলা শ্রেণী আছে-একটা হচ্ছে বেতুয়া আরেকটা চা-বাগান।
এই এরিয়াতেও সন্ত্রাসীদের আনাগোনা আছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেখান থেকেও তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।

রবিবার (৩১ মে) সকালে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান, এলজিইডি প্রকৌশলী সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাঁড়াশি এবং যৌথ অভিযানের মাধ্যমে, পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে সারা দেশব্যাপী মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া এবং চাঁদাবাজি-এই চারটাকে আমরা অ্যাড্রেস করেছি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে। এগুলোকে আমরা নির্মূল করার চেষ্টা করব এবং তার জন্য আমরা আইনি সংস্কার করছি। কারণ দেখা যায়, ১৮৬৭ সনের জুয়া আইনের মধ্য দিয়ে জুয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না; এখন অনলাইন জুয়া, অফলাইন জুয়া, বিভিন্ন রকমের মডারেট জুয়া এবং বেটিং চালু হয়েছে অনেক বছর আগে থেকে। এগুলোকে আমরা কখনোই আইনিভাবে অ্যাড্রেস করতে পারছি না। কারণ আইনটাই নেই অথবা আইনটাই দুর্বল। সেই আইনটা আমরা আগামী সেশনে পার্লামেন্টে নিয়ে আসার চেষ্টা করব, তাহলে আইনি কাঠামোগতভাবে এগুলোকে আমরা অ্যাড্রেস করব।

তিনি বলেন, একই সাথে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে আমরা যাতে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করতে পারি সেই সংশোধনীটাও আনব। এখানে হাজার হাজার মাদকের মামলা আছে যেগুলো বছরের পর বছর পেন্ডিং হয়ে আছে, সেগুলো নিষ্পত্তি হবে। এইভাবে আমরা আমাদের দেশকে বাঁচাতে পারি, যুব সমাজকে বাঁচাতে পারি। আর কিশোর গ্যাংয়ের যে উৎপাত হয়েছে সেটার জন্য আমাদের কিছুটা আইনি সংস্কার আনতে হবে। কিশোর গ্যাং বলতে কত বয়স পর্যন্ত তাদেরকে কিভাবে কী সুবিধা দেয়া যায়, কারণ আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে কিশোরদের যে সুবিধা আছে (জুভেনাইল ডিলিনকোয়েন্সি) সেটা তারা নিচ্ছে। এই কিশোররা যারা কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত তারা আক্রমণাত্মক ও ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। সুতরাং এখানে আইনের সংস্কার দরকার আছে।

DUD.NEWS

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading