সাবেক আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ১৪:১৫
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের ১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আরও ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এসব সাক্ষীরা জবানবন্দি দেন। তবে আসামি পলাতক থাকায় এই মামলার সাক্ষীকে জেরা করা সম্ভব হয়নি।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আগামী ১৬ জুলাই পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।
সাক্ষীরা হলেন- নারায়ণগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রার মো. আব্দুল হাফিজ, চাঁদপুর হাজীগঞ্জের সাব- রেজিস্ট্রার এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ মহাদেবপুরের সাব-রেজিস্টার মো. রফিকুল ইসলাম, ভোলা চরফ্যাশনের সাব-রেজিস্ট্রার কাওসার খান, বন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আব্দুস সালাম ও ঢাকার বাড্ডার সাব রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম।
এ নিয়ে মামলাটিতে ২৮ জনের সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি সোহানুর রহমান।
গত ৩ মে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত।
গত ৮ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র দেন হাফিজুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়। এতে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে। বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। ব্যয় বাদে নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে বেনজীর আহমেদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেন।
ইউডি/রেজা

