সারাদেশে ১০ লাখ কিউআর কোড চালু, বাড়ছে ডিজিটাল লেনদেন

সারাদেশে ১০ লাখ কিউআর কোড চালু, বাড়ছে ডিজিটাল লেনদেন

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ১৩:৫৯

সারাদেশে মার্চেন্ট পয়েন্টগুলোতে প্রায় ১০ লাখ কিউআর কোড চালু রয়েছে। এর ৯০ শতাংশ পয়েন্টে বাংলা কিউআর কোড প্রতিস্থাপন হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নতুন এই ব্যবস্থার ফলে ব্যবসায়ী ও ক্রেতা উভয়েই সুবিধা পাচ্ছেন এবং লেনদেন বেড়েছে ১৫ শতাংশের বেশি। এদিকে, ব্যবসায়ীদের লভ্যাংশের হার কিছুটা বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে সরকার দ্রুত ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ে তুলতে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১ জুলাই থেকে সর্বজনীন বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ মার্চেন্ট পয়েন্টে বাংলা কিউআর প্রতিস্থাপনের কাজ প্রায় শেষ করেছে। একটি কিউআর কোডেই যেকোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পেমেন্ট সেবা ব্যবহার করা যাচ্ছে বলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।

এদিকে, নতুন কিউআর কোড প্রতিস্থাপনকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। নতুন কোড প্রতিস্থাপনের পর, প্রথম দিনে লেনদেন বেড়েছে ১৫ শতাংশ। তবে, চাহিদা অনুযায়ী অনেক ব্যবসায়ী এখনও বাংলা কিউআর কোড পাননি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে মার্চেন্ট পয়েন্টগুলোতে প্রায় ১০ লাখ কিউআর কোড চালু রয়েছে। এর মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি বাংলা কিউআর কোডে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ফলে মার্চেন্ট পয়েন্টগুলোতে বাংলা কিউআরের চাহিদাও বেড়েছে।

নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, ২৫ জুন থেকে তারা বাজারে বাংলা কিউআর নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। এক সপ্তাহ সময় পাওয়ায় কিছু জটিলতা তৈরি হলেও অন্য কোনো সমস্যা নেই। তিনি বলেন, মার্চেন্টরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন এবং এর ফলে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে।

বাংলা কিউআর দ্রুত ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকেও সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এ কার্যক্রম সফল করা সম্ভব নয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে।

বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে মার্চেন্ট পেমেন্টে সেবা ফি হিসেবে ভ্যাটসহ সর্বনিম্ন ১ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) প্রযোজ্য হবে। এই অর্থ গ্রাহকের কাছ থেকে কাটা যাবে না। এমডিআর কাটা হবে মার্চেন্ট বা দোকানদারের প্রাপ্য অর্থ থেকে। অর্থাৎ, গ্রাহক যে পরিমাণ টাকা পরিশোধ করবেন, তার হিসাব থেকে শুধু সেই পরিমাণ টাকাই কাটা হবে।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading