৬০ টাকার মরিচের কেজি এখন ৩০০
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ১২:১৫
কিশোরগঞ্জে গত কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে ঊর্ধ্বগতি বেশির ভাগ সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। বেড়েছে কাঁচা মরিচের ঝাঁঝ। গত কয়েক সপ্তাহ আগে যে মরিচ ছিল ৬০-৮০ টাকা কেজি, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকা দরে। পাশাপাশি উঠানামা করছে ডিমের দামও। অপরিবর্তিত রয়েছে গরু, খাসি, মুরগি ও মাছের দাম। সবজি বিক্রেতাদের ভাষ্য, টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে বাজারে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে জেলা শহরের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সবজি বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে বাজারে পটল ৭০, কাকরোল ও চিরিন্তা ৮০, ঝিঙা ১০০, ঢেড়স ১২০, বেগুন প্রকার ভেদে ৯০-১১০, করলা প্রকারভেদে ৮০-১০০, পেঁপে ও শসা ৪০-৬০, মিষ্টিকুমড়ো ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চালকুমড়ো বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা পিস হিসেবে। গত কয়েক সপ্তাহ আগে যে মরিচ ছিল ৬০-৮০ টাকা কেজি। বর্তমানে সেটি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকা কেজি দরে।
এদিকে, মৌসুমের বাইরে থাকা টমেটো ১২০ ও গাজর ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকারের শাক ২০-৪০, বড় আলু ২৫-৩০, পেঁয়াজের ও রসুনের দাম বেড়ে ৫০ ও ৯০ টাকা কেজি হয়েছে।
এদিকে, গত কয়েকদিনের মধ্যে হালিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা দরে।
এদিকে, মাংসের বাজার এখন পর্যন্ত স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০, সোনালি মুরগি ২৮০-৩০০ ও লেয়ার মুরগি ৩৫০-৩৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, গরু ও খাসির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানায়, মাছের দাম হাতের নাগালে থাকলেও রয়েছে দেশীয় মাছের সংকট। জেলার প্রায় অধিকাংশ উপজেলা হাওর অধ্যুষিত হলেও দেশীয় মাছের আমদানি কম। কারণ হাওরে নতুন পানি থাকায় জেলেরা মাছ পাচ্ছেন না। জেলেদের ধারণা, পানি কমলে হাওরের মাছ ধরা পরবে এবং ক্রেতাদেরও চাহিদা মিটবে।
সবজি বিক্রেতা মো. হাসান ও আব্দুল গনি মোহাম্মদ জানান, টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে বাজারে। গত কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে অনেক। যে মরিচ দুই সপ্তাহ আগে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজে দরে বিক্রি হয়েছে, তার দাম এখন ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।
ইউডি/কেএস

