আন্দোলনে পুলিশি হামলা, অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি সিজেপি প্রধানের
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ১৯:২৮
ইন্ডিয়ার দিল্লিতে প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনে পুলিশি হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। একই সঙ্গে তিনি অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের সম্ভাজিনগরে এক সংবাদ সম্মেলনে দীপকে অভিযোগ করেন, দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ছাত্রদের ওপর যেভাবে আক্রমণ হয়েছে, প্রতিবাদীদের রক্ত ঝরেছে, তা শাহের নির্দেশ ছাড়া হতে পারে না।
এর আগে বুধবার লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, ২০ জুলাই পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে সংসদ অভিযানের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে এবং এর পেছনে অমিত শাহের নির্দেশ ছিল। একই সঙ্গে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।
রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের পরদিন একই ধরনের অভিযোগ করেন দীপকে। তিনি দাবি করেন, ২০ জুলাইয়ের আন্দোলনে পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি তৈরি করে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিল।
দীপকে অভিযোগ করেন, দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনস্থলে পাথর ও একটি ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি এনে হামলার পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। তার দাবি, পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিত ছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশ বা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও দাবি করেন, সিজেপির বিরুদ্ধে বিদেশি অর্থ সহায়তা নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। যদি এমন অর্থ আসত এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা ঠেকাতে ব্যর্থ হতো, তাহলে সেই ব্যর্থতার দায়ও অমিত শাহের বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দীপকে বলেন, আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহারের পরও বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের চিহ্নিত করে হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি সরকারকে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের আহ্বান জানান।
প্রসঙ্গত, প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনের জেরে এর আগে ইন্ডিয়ার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি এখনো পূরণ হয়নি দাবি করে দীপকে বলেন, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আন্দোলন করা হবে।
ইউডি/রেজা

