বিশ্ব হাতি দিবস: আবাসস্থল ধ্বংসের মুখে অস্তিত্বের লড়াইয়ে হাতি
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, আপডেট ১৮:৪২
আজ ১২ আগস্ট বিশ্ব হাতি দিবস। বনভূমি ও আবাসস্থল হারানোর কারণে বিশ্বের বৃহত্তম স্থলচর প্রাণী হাতি এখন অস্তিত্ব সংকটে। দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো এই সুবিশাল প্রাণীর সুরক্ষায় বৈশ্বিক সচেতনতা গড়ে তোলা এবং হাতি সংরক্ষণের গুরুত্বকে সার্বজনীন করা।
২০১২ সালে কানাডীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা প্যাট্রিসিয়া সিমস, মাইকেল ক্লার্ক এবং থাইল্যান্ডের ‘এলিফ্যান্ট রি-ইন্ট্রোডাকশন ফাউন্ডেশন’-এর যৌথ উদ্যোগে প্রথম বিশ্ব হাতি দিবস পালন শুরু হয়। সেদিন ‘রিটার্ন টু দ্য ফরেস্ট’ নামের একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়, যেখানে বন্দিদশা থেকে হাতিকে বনে ফেরানোর গল্প তুলে ধরা হয়। এটি বিশ্বজুড়ে পরিবেশকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করে।
আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন)-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১০০ বছরে এশীয় হাতির সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। অবাধে বন উজাড়, অবৈধ গজদন্ত শিকার এবং মানব-হাতি সংঘাতের কারণে এশিয়া ও আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে হাতিদের বিচরণক্ষেত্র চরম হুমকির মুখে।
বাংলাদেশেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বনাঞ্চলে হাতিদের খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের তীব্র সংকট রয়েছে। বিপুল জনসংখ্যার চাপ এবং সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা বসতি স্থাপনের কারণে হাতির প্রাকৃতিক করিডোরগুলো অবরুদ্ধ হয়ে গেছে। ফলে হাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘাত এবং প্রাণহানির ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।
ইউডি/রেজা

