এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ, কমেছে গ্যাস সরবরাহ
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, আপডেট ২১:০০
এলএনজি কার্গোর অভাবে অবশেষে মজুত ফুরিয়ে গেছে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ)।
বুধবার দুপুরে টার্মিনালটি পুরোপুরি গ্যাসশূন্য হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত এখন সামিটের টার্মিনাল থেকেই মূলত আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের ওপর নির্ভর করতে হবে।
এদিকে এক্সিলারেটের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহও এক দফা কমেছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে দুই টার্মিনাল থেকে ৬৬ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হলেও সন্ধ্যা ৬টায় তা কমে দাঁড়ায় ৫৬ কোটি ২০ লাখ ঘনফুটে। একই সময়ে দেশীয় কূপ থেকে সরবরাহ ছিল প্রায় ১৬২ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট। ফলে সন্ধ্যায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস প্রবাহ ছিল ২১৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১২টায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২২৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাস ১৬২ কোটি ৮০ লাখ এবং এলএনজি থেকে ৬৬ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে মোট সরবরাহ কমেছে ১০ কোটি ঘনফুট।
আরপিজিসিএলের এক কর্মকর্তা জানান, বুধবার দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে এক্সিলারেটের টার্মিনালে মজুত এলএনজি পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়। ফলে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে সামিটের টার্মিনাল সচল রয়েছে। সেখান থেকে প্রায় ৫৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে দেওয়া হচ্ছে।
ইউডি/এবি

