ঢালাও মৃত্যুদণ্ড: বিচারকের ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা প্রত্যাহারের নির্দেশ হাই কোর্টের
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, আপডেট ২০:৩০
ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়াকে ‘মাইন্ডলেস সেন্টেন্স’ বলে বর্ণনা করেছে হাই কোর্ট।
একইসঙ্গে ওই রায় ঘোষণাকারী ফেনীর তখনকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে সিনিয়র জেলা জজ পদ মর্যাদার এ বিচারিক কর্মকর্তা নিম্নতম মজুরি বোর্ডে চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন, আপিল ও জেল আপিলের টানা ১৭ দিনের শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেয় বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাই কোর্ট বেঞ্চ।
২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর নিম্ন আদালতে দেওয়া রায়ে ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছিল।
হাই কোর্টের রায়ে তাদের মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে, চারজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং খালাস দেওয়া হয়েছে বাকি ১০ জনকে।
এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেকসহ অন্যান্য আইন কর্মকর্তা।
আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, এস এম শাহজাহান, ফরিদ উদ্দিন খান, এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, তাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ শিশির মনির, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রিপন, এম ডি রেজাউল করিম, বেলায়েত হোসেন, তাহামিনা তানজিম, দেব দুলাল বরালসহ আরও অনেক আইনজীবী।
ইউডি/এবি

