কুইক রেন্টাল দুর্নীতির তদন্ত হওয়া উচিত: বিইআরসি চেয়ারম্যান
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, আপডেট ২২:৪০
বিগত সময় কুইক রেন্টালের নামে কিছু ব্যক্তিকে সুবিধা দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকার অনিয়ম করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
তিনি বলেন, কুইক রেন্টালের মেয়াদ ৩ বছর হওয়ার কথা, যার দাম ছিল ১৬ টাকা। কিন্তু ইনভেস্টমেন্ট রিকভারি হয়ে যাওয়ার পরেও নবায়নের সময় শুধুমাত্র অপারেশনাল এক্সপেন্ডিচারের ওপর ভিত্তি করে মূল্য নির্ধারণ না করে প্রায় পূর্বের মূল্যেই বিদ্যুৎ কেনা হয়েছিল। তাই কুইক রেন্টালের দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এফডিসিতে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগই বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিযোগিতার সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংস্থা ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
ছায় সংসদে জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইনস্টিটিউটকে (নিটার) পরাজিত করে সরকারি বাঙলা কলেজ বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, দ্রুতই দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনের সম্ভাবনা নেই। তবে সরকারের পলিসি সাপোর্ট অব্যাহত থাকলে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন করে ঘাটতি মিটিয়ে সংকট কাটানো সম্ভব। এতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হবে না। এ জন্য সরকারকে নীতি সহায়তা দিয়ে কম সুদে ঋণের ব্যবস্থার মাধ্যমে সুষম সমন্বিত উদ্যোগ নিলে শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ অনেকেই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহিত হবে। তাই আমাদেরকে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে মিশ্র জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
ইউডি/এবি

