টানা দুই মাস কমল মূল্যস্ফীতি, ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, আপডেট ২৩:৫৫
আগের মাসের ধারাবাহিকতায় অগাস্টেও মূল্যস্ফীতির হার কমে হয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ; যা ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।
চলতি অর্থবছরের আগের মাস জুলাইয়ে পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির এ হার ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। আর গত ২০২৫ সালের অক্টোবরে এ হার ছিল ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। এরপর থেকে আবার দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়তে শুরু করে।
সোমবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।
এতে দেখা যায়, অগাস্টে খাদ্যে কমলেও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। এ মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ; জুলাইয়ে যা হয়েছিল ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।
অপরদিকে অগাস্টে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ; জুনে যা ছিল ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ।
পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে অগাস্টে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতির মানে হচ্ছে–আগের বছরের অগাস্টে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা এখন কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১০৮ টাকা ২৬ পয়সা।
১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে আটকে রাখার লক্ষ্য ধরেছে সরকার।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে আন্দোলনের ধাক্কায় দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে উঠেছিল। ওই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি হয় ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরের কয়েক মাস সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যেই ওঠানামা করছিল। তারমধ্যেই ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে রাখার লক্ষ্য ধরেছিল অন্তবর্তী সরকার। তবে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ গড় মূল্যস্ফীতি নিয়ে শেষ হয়েছিল ওই আর্থিক বছর।
ইউডি/এবি

