নোয়াখালীর কিশোর মিলন হত্যা: এসআই আকরাম কারাগারে
বাদীর আইনজীবী কল্পনা রানী দাস বলেন, বুধবার মামলার আসামি এসআই আকরাম শেখ জেলার ৫ নম্বর আমলি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।
“শুনানি শেষে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবনীতা গুহ আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাকে জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।”
কল্পনা রানী জানান, এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর এ মামলায় ২৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আদালত। একই সঙ্গে পলাতক ২১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

শামছুদ্দিন মিলনমামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৭ জুলাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারে পুলিশের গাড়ি থেকে কিশোর শামছুদ্দিন মিলনকে নামিয়ে দেওয়ার পর একদল লোক ‘ডাকাত’ সন্দেহে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় মিলনের মায়ের দায়ের করা মামলায় ২০১৫ সালে ডিবি পুলিশ আসামিদের সবাইকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন। এরপর মামলাটি অধিকতর তদন্ত শেষে গত ৯ মার্চ সিআইডির কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন আহম্মদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে চর কাঁকড়া ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন সদস্য জামাল উদ্দিন, তার সহযোগী মিজানুর রহমান মানিকসহ ২৯ জনকে আসামি করা হলেও তাতে কোনো পুলিশ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

