কাশ্মীর পাক-ভারতের দ্বিপাক্ষিক বিষয় ‘বরিস’
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ০১ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:০১
কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্য গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হলেও উপত্যকাটির বিষয়ে দেশটির অবস্থান অপরিবর্তিত বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। গত বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ স্টিভ বেকারের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীরকে পাকিস্তান ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক বিষয় হিসেবে দেখে আসছে, এ অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি।
জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি দেখতে ভারত সরকারের আমন্ত্রণে ওই অঞ্চলে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের ২৩ সদস্যের দুইদিনের সফরের মধ্যেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাশ্মীর নিয়ে এ মন্তব্য এলো, জানিয়েছে। কাশ্মীর সফরে যাওয়া ইইউর সাংসদরা গত বুধবার সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের বিলুপ্তিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নয়া দিল্লির লড়াইয়ে সমর্থন দেয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা। যুক্তরাজ্যে ১২ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের কারণে চলতি সপ্তাহেই পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করে দেওয়া হচ্ছে।
তার আগে প্রধানমন্ত্রীর শেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে দক্ষিণ পূর্ব ইংল্যান্ডের ওয়াইকম্মের এমপি বেকার কাশ্মীর প্রসঙ্গটি তোলেন। তার সংসদীয় আসনে বিপুল সংখ্যক কাশ্মীরি বংশোদ্ভূতের বাস। ‘ওয়াইকম্বের বিপুল সংখ্যক ব্রিটিশ নাগরিকের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধব কাশ্মীর সীমান্তের এক অংশে কিংবা উভয় অংশে বসবাস করছেন। সেখানকার অঞ্চলগুলোতে মানবাধিকার লংঘনের ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে। এটা যে অন্যরা মোকাবেলা করবে এমন সামান্য পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক ইস্যু নয়, বরং ওয়াইকম্ব এবং যুক্তরাজ্যের অন্যান্য শহরগুলোর গভীর উদ্বেগের বিষয়, সরকার কি তা স্বীকার করে নেবে,’ প্রশ্ন ছুড়ে দেন বেকার। এর জবাবে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ইতিহাস উল্লেখ করে জনসন বলেন, কোনো সমাধানের পরামর্শ দিয়ে হস্তক্ষেপ না করাই যুক্তরাজ্যের জন্য ভালো হবে। ‘কাশ্মীরের জনগণের কল্যাণের বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাজ্যের সরকার গভীর উদ্বিগ্ন। কাশ্মীরের সংকটের সমাধান মূলত ভারত ও পাকিস্তানের হাতে, এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান দীর্ঘদিনের।

