ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে পুঁজিবাজার: এমরান
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ১১ নভেম্বর ২০১৯ । আপডেট ০৯:৩৮
বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন বাজার বিশ্লেষক মোহাম্মদ এমরান হাসান।
তিনি বলেছেন, গত সপ্তাহটা ভালোই গেছে। পাঁচ দিনের লেনদেনে চার দিনই সূচক বেড়েছে। লেনদেনেও গতি এসেছে। সবমিলিয়ে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।
গত সপ্তাহে ৩ থেকে ৭ নভেম্বরের লেনদেনে ঢাকায় প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ৯০ পয়েন্ট বেড়েছে।
এর আগে ৩ থেকে ৩১ অক্টোবর সময়ে প্রায় ৪ সপ্তাহ ধরে ২৫৫ পয়েন্ট সূচক হারিয়েছিল ঢাকার বাজার।
বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স ৪ হাজার ৭৭২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সপ্তাগের শুরুতে এই সূচক ছিল ৪ হাজার ৬৮৩ পয়েন্ট।
বাজারের এই ঘুরে দাঁড়ানোয় সন্তোষ প্রকাশ করে শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হাসান বলেন, “শেয়ারের দাম অনেক কমেছে। দাম যত কমে যাচ্ছে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা তত প্রবল হচ্ছে। যদিও খুব নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যে, এখনই ভাল হবে পুঁজিবাজার।”

”তবে গত সপ্তাহে যে সূচক বেড়েছে এটা যদি এভাবেই বাড়তে থাকে তবে আস্থার যে একটা সংকট আছে সেটা কেটে যাবে। আর আস্থা ফিরে আসতে শুরু করলে বাজারও বাড়বে।”
গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ৩৫৭টি শেয়ার লেনদেন হয় ঢাকার পুঁজিবাজারে। যার মধ্যে ২২১টির দাম বেড়েছে, আর কমেছে ১১২টির এবং অপরিবর্তি আছে ২টির।
৩ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর এই পাঁচ দিনে ঢাকার পুঁজিবাজারে ১ হজার ৬৫৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যা আগের সপ্তাহে ছিল ১ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।
সপ্তাহ শেষে দেখা যায় ঢাকার পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে হাক্কানি পাল্পের। কোম্পানিটির দাম এক সপ্তাহে বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ।
যদিও হাক্কানি পাল্প এবার লভ্যাংশ দিয়েছে শেয়ার প্রতি মাত্র ২০ পয়সা; যা আগের বারের চেয়ে কম।
দাম বাড়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ। এই শেয়ারের দাম বেড়েছে ২১ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি দাম কমেছে রহিম টেক্সটাইলের; প্রায় ১৫ শতাংশ। দাম কমায় দ্বিতীয় ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপিয়ার্ড শেয়ারের দাম কমেছে ১১ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ন্যাশনাল টিউব। এই শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮১ কোটি টাকা। সোনার বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজের এই শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি টাকা।
গত সপ্তাহে ১৮টি কোম্পানি তাদের লভ্যাংশ ঘোষনা করেছে।

