বেনাপোল কাস্টমস ভল্ট থেকে খোয়া গেছে ২০ কেজি সোনা
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ১৩ নভেম্বর ২০১৯ । আপডেট ১৫:৪৬
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের গোপন ভল্ট থেকে খোয়া গেছে ২০ কেজি সোনা। তবে ডলার ও টাকা-পয়সা খোয়া যায়নি। এ ঘটনায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সোমবার রাতে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা করেছে। চুরির রহস্য উদ্ঘাটনে পোর্ট থানাসহ র্যাব, ডিবি, সিআইডি এবং পিবিআই ঘটনাস্থলে তদন্ত সম্পন্ন করেছে।
সোমবার রাত ১০টায় বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী স্থানীয় সাংবাদিকদের ২০ কেজি সোনা খোয়া যাওয়ার কথা স্বীকার করেন- যার বাজার মূল্য ১০ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুক্র, শনি ও রোববার ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি থাকায় কেউ অফিসে ছিলেন না। সোমবার সকালে অফিস খুললে খোয়া যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
এ ঘটনায় কাস্টমসের যুগ্ম-কমিশনার শহিদুল ইসলামকে প্রধান করে ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ভল্ট ইনচার্জ শাহাবুল সর্দারসহ পাঁচজনকে বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, সোমবার বিকাল ৫টা নাগাদ ডিবি, সিআইডি, পিবিআই, র্যাব ও বেনাপোল পোর্ট থানার কর্মকর্তারা ওই ভল্ট রুমে প্রবেশ করেন। সেখানে হাত-পায়ের ছাপসহ আলামত সংগ্রহ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম-কমিশনার শহিদুল ইসলাম, ডিএসবির এএসপি তৌহিদুল ইসলাম, ইন্সপেক্টর সৈয়দ মামুন হোসেন, র্যাব জেলা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, আতিকুর রহমান, এআরও জিএম আশরাফ, বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান প্রমুখ। তারা যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছেন।
কাস্টমস হাউসে বেশ কিছু বহিরাগত (এনজিও) বিভিন্ন শাখায় অবৈধভাবে কাজ করে দীর্ঘদিন। তাদের মধ্যে ক্যাশ শাখার দায়িত্বে থাকা এনজিওর লোক টিপু এ ঘটনায় জড়িত বলে পুলিশ জানায়। টিপু বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে বলে জানানো হয়।বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন খান বলেন, ‘বেনাপোল কাস্টমসের ভল্টে বিকল্প চাবি ব্যবহার করে সোনা চুরি করা হয়েছে। এখানে পুলিশ সুপার মঈনুল হকসহ সিআইডি ও পিবিআই কর্মকর্তারা তদন্ত কাজ চালাচ্ছেন।

