লাভ ম্যারেজে বিশ্বাসী সিদ্ধার্থ

লাভ ম্যারেজে বিশ্বাসী সিদ্ধার্থ

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ১৯ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:৪২

২০১২ সালে করণ জোহারের ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ছবি দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় সিদ্ধার্থ মালহোত্রার। এরপর অভিনয় করেন বেশকিছু ছবিতে।  গত ১৫ নভেম্বর মুক্তি পায় তার অভিনীত ছবি ‘মারজাভা’। ইতমধ্যেই বক্স অফিসে ভালোই ব্যবসা করছে ছবিটি। অ্যাকশন থ্রিলার এ ছবিতে সিদ্ধার্থ অভিনয় করেছেন একজন অ্যাংরি ইয়ং ম্যানের ভূমিকায়। সেখানে বামন ভিলেনের চরিত্রে আছেন রিতেশ দেশমুখ। ছবির দুই নায়িকা তারা সুতারিয়া ও রাকুল প্রীত সিং। দর্শকের মাঝে ভালোই সাড়া ফেলেছে ‘মারজাভা’। সম্প্রতি ছবি ও বিভিন্ন প্রসঙ্গে সিদ্ধার্থের কথা হয় ইন্ডিয়ান গণমাধ্যম আনন্দবাজারের সঙ্গে। যার চুম্বকীয় অংশ উত্তরদক্ষিণ পাঠকদের জন্য নিচে তুলে ধরা হলো। ‘মরজাওয়াঁ’তে আপনি অ্যাংরি ইয়ং ম্যানের ভূমিকায়। অমিতাভ বচ্চনের সেই ঘরানার ছবিগুলো দেখেছেন? বাড়িতে তখন ভিডিও ক্যাসেট আসত আর বেশির ভাগ সময়ে অমিতাভ বচ্চনের ছবির ক্যাসেট ভাড়া করা হত। মনে আছে, আমি একবার ‘হম’ দেখছিলাম। সেখানে বচ্চন স্যার যখন ‘বখতাওয়ার’ বলে চিত্কার করছিলেন, অনেক দিন পর্যন্ত আমার মনে হত ওটা একটা গালি। ওটা যে কারও নাম ছিল, সেটা বুঝতে আমার অনেক সময় লেগেছিল। এর জন্য অনেক দিন পর্যন্ত আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করা হত।

আপনার কেরিয়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিবারের বাকিদের কী প্রতিক্রিয়া?: যখন ২১ বছর বয়স, তখন আমি ফিল্মে আসার সিদ্ধান্ত নিই। প্রথমে পরিবারের রাজি ছিল না। মানিয়ে নিতে সময় লেগেছে। তবে পরিবার কখনও আমার প্রশংসা করে না। মা বন্ধুদের সঙ্গে আমার ছবি দেখতে যান। আর আমার কাজ নিয়ে কিছু বলার থাকলে, সেটা আমাকে বলেও দেন। এখন আমার কোনও টেনশন নেই। মুম্বইয়ে নিজের চেষ্টায় বাড়ি বানিয়েছি। সময় বুঝে বিয়েও করব।

লাভ ম্যারেজ?: অবশ্যই। চোখের সামনে আমার মা-বাবাকে দেখেছি। এত দিন ধরে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তারা। বিয়ে প্রতিষ্ঠানটার কাছে এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার নেই আমার।

কী রকম মেয়ে পছন্দ আপনার?: তার সঙ্গে আমার যেন একটা বন্ডিং তৈরি হয়। সে যে কোনও ব্যাকগ্রাউন্ড থেকেই হতে পারে। আমি যখন কোনও মেয়ের সঙ্গে কথা বলি, সবচেয়ে আগে তার চোখের সঙ্গে একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। সেটাই তার সম্পর্কে আরও জানার উত্সাহ তৈরি করে। দু’জনের সম্পর্কের মধ্যে সততা থাকা জরুরি। অনেক সময়ে চেহারা সুন্দর হলেও যদি অকারণে মিথ্যা বলে বা আমাকে ইমপ্রেস করার জন্য কিছু বানিয়ে বলে, সেটা আমাকে খুব হতাশ করে।

কান কাজে ব্যর্থ হলে নিজেকে কীভাবে সামলান?: শূন্য থেকে শুরু করেছিলাম। এখন যেখানে পৌঁছেছি, সেটা অনেক বড় পাওনা। ব্যর্থ হলেও শিখতে চাই। ভবিষ্যতে যখন ছবি বানাব, এই ধাক্কা খাওয়ার অভিজ্ঞতাগুলো কাজে আসবে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading