বিচ্ছিন্নতার পথে হংকং!

বিচ্ছিন্নতার পথে হংকং!

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২১ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৪০

রয়টার্স, এএফপি ও বিবিসি অবলম্বনে মিলন গাজী ষ হংকং সঙ্কট চীনের জন্য বড় মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে এ মুহূর্তে। অঞ্চলটিতে সেনা বাহিনী মোতায়েন করেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে চীন। চীনের মিত্র শক্তি তথা হংকংয়ের স্থানীয় প্রশাসন কঠোর নীতি অবলম্বন করেও এখন পর্যন্ত গণতন্ত্রের ও ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের নিবৃত করতে পারেনি। এর মধ্যে আমেরিকার সমর্থন গণতন্ত্রকামীদের  আন্দোলনে আরও উত্সাহিত করবে বলেই মত বিশ্লেষকদের। তারা বলছেন, হংকং কি তাহলে চীনের নিয়ন্ত্রণ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে যাচ্ছে!  হংকংয়ের পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ‘এখনও কয়েকশ বিক্ষোভকারী’ অবরুদ্ধ হয়ে আছেন বলে জানা গেছে। রয়টার্সের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ বেস্টিত ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছেন। তবে এভাবে দমন পীড়নের কারণে হংকং প্রশাসন ও চীনা সরকার আন্তর্জাতিক মহলে বেশ বিতর্কিত হচ্ছে। অনেকে উভয় পক্ষকে সংযত হতে আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতিতে চীনের অস্বস্তি যে বাড়ছে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, হংকংয়ে পুলিশের ঘিরে রাখা পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর এখনও ১০০ থেকে ২০০ ‘গণতন্ত্রপন্থী’ বিক্ষোভকারী অবস্থান করছেন। চীন নিয়ন্ত্রিত শহরটির কর্তৃপক্ষ অবশ্য আন্দোলনকারীদের কট্টরপন্থী বলে অবিহিত করেছে। গত রোববার রাতভর গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তুমুল সংঘাতের পর থেকেই পুলিশ ওই ক্যাম্পাসটি ঘিরে রাখে। ভেতরে থাকা বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছয়শর মতো এরই মধ্যে ক্যাম্পাসটি ত্যাগ করেছেন বলে হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি লামের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকালে ১৮ বছরের নিচের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসটি ছাড়ে; তাদের সঙ্গে মাধ্যমিক স্কুলের অধ্যক্ষসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেশ ক’জন কর্মকর্তাও ছিলেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে।

অপ্রাপ্তবয়স্কদের নাম ও পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ তাদের ছেড়ে দিয়েছে; তবে ১৮ বছরের বেশি বয়সী বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা বাধানোর অভিযোগ আনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দোষী প্রমাণিত হলে এ অভিযোগে একেকজনের সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এর আগে রোববার শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের রাত ১০টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ। বিক্ষোভকারীরা গত সপ্তাহ থেকে এ পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের আন্দোলনের অন্যতম ঘাঁটিতে পরিণত করে; পুলিশ বেশ কয়েকবার ক্যাম্পাসের ভেতর ঢুকতে চাইলেও বিক্ষোভকারীরা আগুন জ্বালিয়ে ও পেট্রল বোমা ছুড়ে তাদের বাধা দেয়। গত সোমবার শতাধিক বিক্ষোভকারী দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেটে আহত হওয়ার পর গ্রেপ্তার হন ।

এদিন বিক্ষোভকারীদের দিকে কাঁদানে গ্যাসের এক হাজার ৪৫৮টি শেল, এক হাজার ৩৯১টি রাবার বুলেট, ৩৯৫টি বিন ব্যাগ রাউন্ডস ও ২৬৫টি স্পঞ্জ বুলেট ছোড়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। অবশ্য আগের দিন থেকে ক্যাম্পাসের ভেতরে অবরুদ্ধ থাকা বিক্ষোভকারীদের রসদ ফুরিয়ে যায় বলে গণতন্ত্রপন্থী আইনপ্রণেতা টেড হুই জানিয়েছেন। বেরিয়ে আসা এক বিক্ষোভকারী ভেতরে থাকারা ‘ক্ষুধা ও ঠাণ্ডায়’ বিপর্যস্ত বলে জানিয়েছেন। “অনেকেই আঘাত পেয়েছেন, কিন্তু সেখানে চিকিত্সার সরঞ্জামের ঘাটতি আছে,” বলেছেন তিনি। ১৬ বছর বয়সী আরেক বিক্ষোভকারী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, পরিস্থিতি দেখে তিনি ‘আত্মসমর্পণের’ পথ বেছে নিয়েছেন। “গত সোমবার সকাল থেকেই আমরা পালানোর চেষ্টা করছিলাম। আমরা কোনো পথই খুঁজে পাইনি, ধরা পড়লে অভিযুক্ত হওয়ারও ভয় ছিল। এটাই ছিল একমাত্র পথ, আমি মরিয়া হয়ে উঠেছিলাম,” ভাষ্য তার। হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম সব বিক্ষোভকারীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানন। আন্দোলনকারীরা ‘শান্তিপূর্ণ উপায়ে বেরিয়ে এলে’ সহিংসতা হবে না বলেও তখন আশ্বস্ত করেছেন তিনি। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ার করা হয়। গত মঙ্গলবার হংকংয়ের নতুন পুলিশপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ক্রিস ট্যাং বলেছেন, পুলিশের একার পক্ষে এ ধরনের বিক্ষোভ থামানো সম্ভব নয়। এই অরাজকতা তখনই থামবে, যখন সমাজ বিক্ষোভকারীদের এ সহিংসতার নিন্দা জানাবে। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে সর্বসম্মত বিল পাস: অবশ্য পুলিশপ্রধানের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন মেলেনি। বরং হংকংয়ে বিক্ষোভকারীদেরই উল্টো সমর্থন জানিয়েছে আমেরিকা। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে একটি সর্বসম্মত বিল পাস হয়েছে। গত মঙ্গলবার পাস হওয়া বিলটিতে অঞ্চলটিতে মানবাধিকারের সুরক্ষার বিষয়ে মার্কিন সমর্থনের অঙ্গীকার করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা কর্তৃপক্ষের দমনপীড়ন থেকে হংকং-এর গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষায় এ বিল পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিনেটে কণ্ঠভোটে পাস হয় ‘হংকং হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্র্যাসি অ্যাক্ট’ নামের বিলটি। এর আগে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সব পক্ষের প্রতি সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের পর সংস্থাটির পক্ষ থেকে এমন আহ্বান জানানো হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোঘেরিনি গত সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, যেকোনও সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য। ফেডেরিকা মোঘেরিনি বলেন, সংযম প্রদর্শন এবং উত্তেজনা নিরসনের প্রচেষ্টায় সব গঠনমূলক অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপগুলো অবশ্যই সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। হংকং-এর বাসিন্দাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের মতো মৌলিক অধিকারগুলোর সুরক্ষা অবশ্যই বহাল রাখতে হবে।

এদিকে হংকং-এর বিক্ষোভে সহিংসতার তীব্র সমালোচনা করেছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লিউ জিয়াওমিং। লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি মনে করি হংকং সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে খুব চেষ্টা করছে। তবে পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, তাহলে কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্যই হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। এই অস্থিরতা থামানোর মতো পর্যাপ্ত সমাধান ও ক্ষমতা আমাদের রয়েছে। চীনপন্থী রাজনীতিক ও হংকং আইন পরিষদের সাবেক প্রধান জেসপার সাং বলেছেন, হংকং-এর বিক্ষোভকে ‘নিয়ন্ত্রণহীন’ পরিস্থিতিতে রূপান্তর করা হবে! আর বেইজিং চেয়ে চেয়ে তা দেখবে! এমনটা হবে না। পরিস্থিতি দিন দিন আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এমনটাই উঠে এসেছে রয়টার্স ও আল জাজিরার প্রতিবেদনে।

হংকংয়ে চীনা সেনা মোতায়েন: এর আগে গত ১৬ নভেম্বর, শনিবার পাঁচ মাসের চেয়ে বেশি সময় ধরে চলা গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের রাশ টানতে হংকংয়ে প্রথমবারের মতো চীনা সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, শনিবার বেলা ৪টার দিকে চীনা সেনাদের দেখা যায়, কালো টিশার্ট ও লাল বালতি হাতে রাস্তায় নেমে পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিচালনা করছে তারা। তাদেরকে ব্যাপটিস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নিকটে রেনফ্রু রোড পরিষ্কার করতে দেখা যায়। চীনের প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিংয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে এক সৈনিক জানান, আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি! সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা বন্ধ করা আমাদের দায়িত্ব। এর আগে ১৪ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হংকংয়ের বিক্ষোভের বিষয়ে তার নিরবতা ভাঙেন। ব্রাসিলিয়ায় ব্রিকস সম্মেলন চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ক্রমাগত উগ্র হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড হংকংয়ের আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক ব্যবস্থা গুরুতরভাবে ব্যাহত করছে। আমাদের দায়িত্ব হলো- বর্তমানে হংকংয়ে চলমান সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলার অবসান করা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। কারণ, বিক্ষোভের মুখে হংকংয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এক দেশের দুই ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অবস্থায় আমরা হংকং প্রশাসনকে সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চাই। কঠোর নীতি অবলম্বন করার জন্য তাদের সমর্থন জানাবো। সহিংসতা সৃষ্টিকারীরা আইন অনুযায়ী অপরাধী। শি জিনপিং বর্তমানে মাও সেতুং এর পরে সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখিত হচ্ছেন চীনে। তিনি ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান এবং নিজেকে চীনের আজীবন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

বিতর্কিত বহিঃসমর্পণ আইন বাতিল: হংকংয়ে চলমান আন্দোলনের শুরু একটি আইনের খসড়াকে কেন্দ্র করে। গত মাসে হংকং কর্তৃপক্ষ আন্দোলনের মুখে সেই বিতর্কিত বহিঃসমর্পণ আইনটি বাতিল করতে বাধ্য হয়। বহিঃসমর্পণের সুযোগ রেখে করা প্রস্তাবিত আইনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে হংকংয়ের পার্লামেন্ট। বিতর্কিত এই প্রস্তাবিত আইনের বিরুদ্ধে হংকংয়ের জনগণ চলতি বছরের শুরুর দিকে বিক্ষোভ করেন। রয়টার্স জানায়, গত ২৩ অক্টোবর, বুধবার হংকংয়ের পার্লামেন্টে বহিঃসমর্পণ প্রস্তাবিত আইনটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে যাকে কেন্দ্র করে এই আইন সেই যুবককেও মুক্তি দেয়া হয়। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবির একটি পূরণ হলো। বাকি চারটি দাবি হচ্ছে, কয়েক মাস ধরে চলে আসা বিক্ষোভকে ‘দাঙ্গা’ হিসেবে অভিহিত না করা, বিক্ষোভে পুলিশি হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সর্বজনীন ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। তবে বাকি দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ স্থগিত করবে না বলে পর্যবেক্ষকেরা তখনই মনে করেছিলেন। সেই আশঙ্কাই বাস্তব হয়েছে হংকংয়ে।

প্রসঙ্গত, গত বছর তাইওয়ানে নিজের গর্ভবতী বান্ধবীকে খুন করে হংকংয়ে পালিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। কিন্তু বহিঃসমর্পণ চুক্তি না থাকায় তাকে তাইওয়ানের কাছে হস্তান্তর করতে পারছিল না হংকং। এ কারণে হংকং কর্তৃপক্ষ বহিঃসমর্পণ আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। প্রস্তাবিত আইনটি পাস হলে চীন, তাইওয়ান ও ম্যাকাওয়ে কোনো মামলায় অভিযুক্ত কাউকে প্রত্যর্পণ করতে হতো হংকং কর্তৃপক্ষকে। এর বিরুদ্ধে হংকংয়ের জনগণ ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানায়। সেখান থেকেই বিক্ষোভের সূচনা। এতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষে অনেক হতাহত ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভকারীরা হংকং পার্লামেন্ট, বিমানবন্দর অবরুদ্ধ করে রাখে, সরকারি অফিসে ভাঙচুর ও পুলিশের দিকে পেট্রল বোমা ছুড়ে। ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্য থেকে হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেয় চীন। এরপর এই প্রথম বড় ধরনের সহিংসতা ও বিক্ষোভ দেখা গেল রাজ্যটিতে। তবে শেষ পর্যন্ত হংকংয়ের জনগণ তাদের ভোটাধিকার আদায় করতে পারবে কি- সেই প্রশ্ন এমুহূর্তে অমীমাংসিতই থেকে যাচ্ছে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading