অনিয়মকে নিয়ম করা যাবে না – দুদক চেয়ারম্যান
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২৭ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৩২
জনগণের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ‘ভ্যালু ফর মানি’ অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘কেউ কেউ অনিয়মকে নিয়ম করতে চান। এটা হবে না।’ গতকাল মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ‘ট্রেনিং অন পাবলিক প্রকিওরমেন্ট অ্যান্ড প্রাকটিসেস ফর এসিসি অফিসিয়াল’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুনির্দিষ্ট বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান আত্মস্থ করে নিজ কর্ম প্রক্রিয়ায় তা নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করা। তা না-হলে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়। প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদের কাংক্ষিত সক্ষমতা বৃদ্ধি হয় না।’ ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘পরিষ্কারভাবে বললে বলা যায়, এর (প্রশিক্ষণ) মাধ্যমে অর্থের অপব্যয় এবং মূল্যবান কর্মঘণ্টার অপচয় হয়। তাই প্রশিক্ষণ নিয়ে আমি কিছুটা হলেও হতাশ। কারণ, আমাদের কর্মকর্তাদেরকে কমিশনের সামর্থ্য অনুযায়ী দেশ-বিদেশে অনেক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাত্ত্বিকভাবে হয়তো সক্ষমতাও বৃদ্ধি হয়েছে কিন্তু ব্যবহারিকভাবে এর সম্পূর্ণ প্রয়োগ হচ্ছে বলে আমরা অনুভব করছি না।’ কমিশনের প্রশিক্ষণ অনুবিভাগের মহাপরিচালকের উদ্দেশে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই ট্রেনিং সেশন থেকেই ট্রেইনি কনফিডেনশিয়াল রিপোর্ট প্রবর্তন করবেন। এই রিপোর্টে প্রশিক্ষণকালে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের প্রতি একাগ্রতা, জানার ইচ্ছাসহ সার্বিক পারফরমেন্স লিপিবদ্ধ থাকবে, যা কমিশনের সচিবের মাধ্যমে কমিশনে উপস্থাপন করতে হবে। এসব প্রশিক্ষণের মূল্যায়নের মানের সঙ্গে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি, বিদেশে প্রশিক্ষণ লিংক করা হবে। কারণ, জনগণের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভ্যালু ফর মানি আমরা অবশ্যই বিবেচনা করবো।’ মঙ্গলবার শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণ শেষ হবে ১ ডিসেম্বর। কমিশনের পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক ও উপসহকারী পরিচালক পদমর্যাদার ৪০ জন কর্মকর্তা এ প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

