কম পুজিতে মাল্টা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন চাষিরা
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:৩৪
ঝালকাঠিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মাল্টা চাষ। এখানকার মাটি মাল্টা চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলনও ভালো হচ্ছে। কম জায়গায় এবং অল্প পুজিতে লাভ বেশি হওয়ায় ঝালকাঠির যুবকরা মাল্টার বাণিজ্যিক আবাদের দিকে ঝুটকছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে আগামীতে মাল্টা চাষের পরিধি বাড়াতে তারা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। জেলার সবচেয়ে বড় মাল্টা বাগান হচ্ছে নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের শাহআলম হাওলাদারের শারিনা মাল্টা বাগান। তিনি প্রথমে কৌতুহলবশত ও পরিক্ষামূলকভাবে নিজ বাড়ির উঠানে ১শ’ মাল্টা চারা রোপণ করে বেশ লাভবান হয়েছেন। পরে তিনি চার একর জমি লিজ নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে একটি ফলের বাগান করেন। তার বাগান দেখে এ উপজেলার অনেকেই এখন মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। রাসায়ণিক মুক্ত হওয়ায় বাজারে এ ফলের বেশ চাহিদাও রয়েছে। বাগান থেকে প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ২শ’ টাকা দরে। নলছিটির শারিনা মাল্টা গার্ডেনের মালিক শাহ আলম হাওলাদার বলেন, ‘টেলিভিশনে পিরোজপুর জেলার একটি মাল্টা বানানে ওপর প্রতিবেদন দেখে আমি আগ্রহী হই। ২০১৬ সালে বাবার দেওয়া মাত্র ১০ শতক জমিতে ৫০টি গাছ দিয়ে মাল্টা বাগন শুরু করি। সেই থেকে আর আমাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। আমি বছরে ৪ সাড়ে চার লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করি। আমার ৭ বিঘা জমিতে ৭০০ শ’র বেশি মাল্টা গাছসহ নানা ধরণের ফলের চারা রয়েছে। আমার কাছ থেকে মাল্টা গাছের চাড়া নিয়ে এলাকার যুবকরা দেড়শ’র বেশি বাগান করেছে।

