পদ্মাসেতুতে বসলো ১৯তম স্প্যান দৃশ্যমান প্রায় ৩ কি.মি
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৪৬
শরিয়তপুরের জাজিরা ও মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের মাঝখানে পদ্মাসেতুর ২১ ও ২২ নম্বর পিলারের উপর বসানো হয়েছে পদ্মাসেতুর ১৯তম স্প্যান। গতকাল বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে দুইটার সময় বসানো হয় স্প্যানটি। ১৯তম স্প্যানটি স্থায়ীভাবে বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো সেতুর ২ হাজার ৮৫০ মিটার। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ধূসর রংয়ের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ হাজার ১৪০ টন স্প্যানটিকে ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান-ই’ ভাসমান ক্রেনের মাধ্যমে ২১ ও ২২ নম্বর পিলারের কাছে নেওয়া হয়। ১৮তম স্প্যান বসানোর সাত দিনের মাথায় বসানো হলো ১৯তম স্প্যানটি। পদ্মাসেতু প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হুমায়ন কবীর জানান, নদী এখন অনেকটা শান্ত। নেই আগের মতো স্রোত। নদী শান্ত হওয়ায় সেতুর কাজে গতি এসেছে। গেল বর্ষা মৌসুমে ৪ মাসে বসানো হয়েছে মাত্র ১টি স্প্যান। সেখানে গত এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে বসনো হলো ৩টি স্প্যান। তিনি আরো জানান, পদ্মাসেতুতে মোট ৪২টি পিলারের মধ্যে কাজ শেষ হয়েছে ৩৫টির। সেতুতে ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব ও ২ হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসবে। পদ্মাসেতুর মোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে চীন থেকে মাওয়ায় এসেছে ৩৩টি স্প্যান। এর মধ্যে ১৮টি স্প্যান স্থায়ীভাবে বসে গেছে। ৬ দশমিক ১৫ দৈর্ঘ্যের সেতুটি কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে।

