রংপুরে টাকা ধারের জেরে সুমন খুন হয়
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ । আপডেট ১১:৩৮
রংপুরে পাওনা টাকা চাওয়ার জের ধরে সুমনকে খুন করা হয় বলে জানিয়েছেন মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি লিয়ন। গত রবিবার রাতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। পুলিশ তার কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহূত কুড়াল ও একটি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করেছে। গতকাল সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) হারাগাছ থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (ক্রাইম) শহিদুল্লাহ কাওছার জানান, নিহত সুমন আসামি লিয়নের বন্ধু ছিল। বন্ধুত্বের কারণে সুমনকে বেশ কিছু টাকা ধার দেয় লিয়ন। সেই টাকা ফেরত চাইলে সুমন সময় চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদের এক পর্যায়ে গত ১৭ ডিসেম্বর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রলোভন দেখিয়ে মোবাইল ফোনে সুমনকে সারাই মসজিদের পাশে ডেকে নেয়া হয়। সেখানে লিয়ন কুড়াল জাতীয় বস্তু দিয়ে সুমনের মাথায় সজোরে আঘাত করে। পরে মাথা এবং মুখে উপর্যুপরি আঘাত করলে সুমন মারা যায়। লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে হারগাছ থানার সারাই মসজিদের পিছনে সেফটি ট্যাংকির ভিতরে ফেলে দেয় এবং সুমনের ব্যবহূত মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়। নিয়ন (২১) রংপুর শহরের হারাগাছ থানার সারাই নিউ কসাইটারির মো. মহিরের ছেলে। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, ২৭ ডিসেম্বর অনুসন্ধান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে সারাই মসজিদের পিছনে সেফটি ট্যাংকির ভিতরে একটি লাশ ভেসে আছে। পরে পুলিশ সেখান থেকে অর্ধগলিত বিকৃত লাশ উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর নিখোঁজ ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনদের খবর দিলে তারা মৃত ব্যক্তি সুমন বলে সনাক্ত করেন। মৃত সুমনের বড় ভাই বেলাল বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

