সিইসির বিশ্বাস : শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ০১ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১৮ঃ৪০
ঢাকার দুই সিটিতে এবং চট্টগ্রামে একটি শূন্য আসনে ‘শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচনের’ আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তিনি আরও বলেন, কারও আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। বুধবার (১ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময় সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে সিইসি এসব কথা বলেন। নগরীর লাভ লেইনে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সভাকক্ষে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসেছিলেন সিইসি।
ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি নূরুল হুদা বলেন, ‘আমরা শতভাগ বিশ্বাস করি যে, শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। সঠিক নির্বাচন হবে। সব দল নির্বাচনে অংশ নেবে। প্রতিযোগিতামূলক, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে। এখানে কারও আশঙ্কার কোনো কারণ নেই।’
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে বিভিন্ন মহলের আপত্তি প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে আর বিবেচনার সুযোগ নেই। আমরা ইভিএমেই নির্বাচন করব। কারণ আমরা দেখেছি যে, ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচন করলে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারবে। আমরা এতদিন ইভিএমে যেসব নির্বাচন করেছি, সেগুলোর ক্ষেত্রে ভালো ফল পাওয়া গেছে। সেজন্য ইভিএমের ওপর আমাদের আস্থা আছে।’
সিইসি জানান, মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রামের নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ভোটার করা এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধন এবং জাতীয় পরিচয় পত্র দেওয়ার ঘটনায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী গ্রেফতারের প্রসঙ্গও আলোচনায় এসেছে। এসময় তিনি ধৈর্য সহকারে, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। জাতীয় পরিচয়পত্র সাবধানতার সঙ্গে করার পরামর্শ দেন।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের জন্য আগামী মার্চ মাসকে উপযুক্ত সময় ভাবছেন সিইসি। তবে সঠিক সময় কমিশনের বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে বলেও এসময় জানিয়েছেন তিনি। কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের পর যেদিন প্রথম সভা হয়, সেদিন থেকে মেয়াদ গণনা শুরু হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন একসঙ্গে হলেও চট্টগ্রামে এই সভাটা বিলম্বে হয়েছে। সেজন্য ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ১৮০ দিন গণনা শুরু হবে। এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আমার মনে হয় মার্চ মাসই হবে উপযুক্ত সময়। যেহেতু এপ্রিল মাসে হবে রমজান, মার্চ মাসে সম্ভবত পরীক্ষা বা অন্য কোনো প্রোগ্রাম নেই।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খান প্রমুখ।

