ত্বকের যত্নে নারিকেল তেল
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ০৫ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১০:৪৮
রূপচর্চার উপকরণ হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে নারিকেল তেল বেশ পরিচিত। অনেকেই জানেন না যে, ত্বককে সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে নারিকেল তেলের ব্যবহার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। রুপচর্চা বিশেষজ্ঞরা বলেন, ত্বকের যত্নে নারিকেল তেলের ভূমিকা সব থেকে বেশি। যদি নারিকেল তেলের উপর ভরসা রাখতে পারেন তাহলে ত্বকের যাবতীয় সমস্যার হাত থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। নারিকেল তেলের এমন কয়েকটি ফেসিয়ালের উপাদান দেওয়া হলো যা ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের সৌন্দর্য আরো কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
ত্বকে বলিরেখা দূর করতে নারিকেল তেল : প্রথমে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার এবং নারিকেল তেল ভালো করে মিশিয়ে নিন, এরপর তাতে পরিমাণমতো গোলাপ পানি মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি সারা মুখে লাগিয়ে নিন। প্যাকটি মুখে শুকিয়ে গেলে এবার ভার্জিন নারিকেল তেল মুখে কয়েক ফোঁটা লাগিয়ে মাসাজ করে নিন। এইভাবে রাতে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন ভালো করে। এতে করে ত্বকে বলিরেখা খুব সহজেই দূর হয়ে যাবে। সপ্তাহে তিনবার করে নিয়ম মত এটি ব্যবহার করবেন।
ত্বকের হারিয়ে যাওয়া লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে : প্রথমে লেবু ও দুধ মিশিয়ে ছানা বানিয়ে নিন। এবার আধা কাপ ছানার সঙ্গে খাঁটি নারিকেল তেল মিশিয়ে নিন। তারপর সারা মুখে ভালো করে মাসাজ করে করুন। এইভাবে ১৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন দিন এই মিশ্রণটি মুখে লাগান। চেহারা থেকে হারিয়ে যাওয়া লাবণ্য ফিরে আসবে সহজেই।
ত্বককে ময়েশ্চারাইজড করতে: একটি কাঁচের পাত্রে আধা চা-চামচ মধু ও ১ টেবিল চামচ খাটি নারকেল তেল ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে সারা মুখ, গলা এবং ঘাড়ে লাগিয়ে নিন। এক ঘণ্টাপর ভাল করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে এই প্যাক খুবই কার্যকর। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ৩-৪ বার এই প্যাকটি ব্যবহার করুন।
ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে: একটি কাঁচের পাত্রে মুলতানি মাটি, নারিকেল তেল ও মধু তিনটি উপকরণ সমপরিমাণ (যদি নারিকেল তেল এক টেবিল চামচ নেন, তাহলে বাকি উপকরণও এক টেবিল চামচ করে নিতে হবে) মিশিয়ে নিন। এবার প্যাকটি মুখে শুকিয়ে গেলে হাতের সাহায্যে ক্লক-ওয়াইজ এবং অ্যান্টি ক্লক-ওয়াইজ মাসাজ করুন। ত্বকের যাবতীয় ডেড সেল বা মৃত কোষগুলো দূর করতে পারে এই ফেসিয়াল। ২০ মিনিট করার পর হালকা গরম পানিতে তুলো ভিজিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। সপ্তাহে একবার করে করলেই যথেষ্ট। এরফলে মুখে মৃত কোষ দেখা দেবে না আর।

