নীলফামারীতে বেড়েছে শীতের প্রকোপ
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ০৫ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১৩:০৬
তাপমাত্রার পারদ নিচে নেমে যাওয়ায় গত দু’দিন থেকে নীলফামারীতে বেড়েছে শীতের প্রকোপ। গতকাল রবিবার (৫ জানুয়ারি) সকালে জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের প্রকোপ বেড়ে গেছে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় হেড লাইট জ্বালিয়ে চলচলা করছে যানবাহন। এছাড়া কোল্ড ইনজুরিতে পড়েছে বোরো বীজতলা। এছাড়া মড়ক রোগ (লেট ব্রাইট) দেখা দিয়েছে আলু ক্ষেতে। জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রেখেছেন বোরো চাষিরা। এদিকে আলু ক্ষেতে মড়ক রোগ (লেট ব্রাইট) রোগ থেকে রক্ষা পেতে ঘন ঘন কীটনাশক প্রয়োগে সুফল পাচ্ছেন না এ অঞ্চলের আলু চাষিরা।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানায়, জেলায় এবার বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৩ হাজার হেক্টর জমিতে। উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৫৩৬ মেট্রিক টন চাল। ওই পরিমাণ জমি আবাদে ৪ হাজার ১৫০ হেক্টরের বীজতলা প্রয়োজন। এ পর্যন্ত বীজতলা তৈরি হয়েছে ৩ হাজার ৮৬৯ হেক্টর।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, শীত থেকে রক্ষার জন্য বীজতলা সাদা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। রাতে সেচযন্ত্র দিয়ে মাটির নিচের গরম পানি তুলে বীজতলায় দিয়ে রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনো বীজতলা হলুদ বর্ণ ধারণ করলে, সেটি সারানোর জন্য প্রতি শতকে ৭ গ্রাম ইউরিয়া ও ১০ গ্রাম জিপসাম সার প্রয়োগ করতে হবে। নীলফামারীর ডিমলা আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, গতকাল রবিবার সকালে জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা শনিবারের (৪ জানুয়ারি) চেয়ে ২ দশমিক ১ ডিগ্রি কমেছে।

